দেশে আবারও ‘কিংস পার্টি’র তৎপরতা

দেশে আবারও ওয়ান ইলেভেনের স্বপ্ন দেখছেন কিছু রাজনীতিবিদ।  আওয়ামীলীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে সামনের দিন গুলোতে পরিস্থিতি জঠিল হয়ে উঠতে পাওে বলে ধারণা করছেন অনেকে।  এ সুযোগে আবারও ‘কিংস পাটি’র তৎপরতা দেখা  যাচ্ছে রাজনীতিতে।  তারা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার কথাও ঘোষণা করেছে।

২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকারের কাছ থেকে ‘সুবিধা’ নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কিছু রাজনীতিবিদ।  রাতারাতি গঠন করা হয়েছিল নামসর্বস্ব কিছু রাজনৈতিক দল। এক-এগারোর সময় যাত্রা শুরু করা ছোটখাটো দলগুলো পরিচিতি পায় ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে।  বর্তমানে এসব দলের নেপথ্যে থাকা নেতারা রাজনীতির মাঠ থেকে বিলুপ্তির পথে।  কিন্তু বর্তমানে সরকার ও বিরোধী  বিএনপির পাল্টপাল্টি রাজনীতি কর্মসূচী পালনের মধ্যে দিয়ে সাংবিধানিক কোন সংকট দেখা দিতে পারে বলে তাদের ধারনা বা তারা তেমন কোন ঈগিত পেয়েই তাদের তৎপরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী নির্বাচনের আগে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ দাবীতে আন্দোলনরত বিএনপিও তার সমমনা দলগুলো।  সরকার কোন অবস্থায় পদত্যাগ করে বিরোধীদের দাবী মেনে নির্বাচনে যাবে না তাও  স্পষ্ট। সরকারের বক্তব্য বিরোধীদের দাবী অংসবিধানিক। পৃথিবীর কোন দেশে তত্ববধায়ক সরকার নেই।  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তর্থ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া আর কোন দেশে তত্ত¦বধায়ক সরকার নেই।  বিএনপি দেশকে পাকিস্তান বানাতে চাইলে তা সম্ভব নয়।

সরকারের আরো কঠোর অবস্থানের ঈগিত পাওয়া যায়,সম্প্রতি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম চৌধুরী জাতীয় সংসদে  বলেছেন বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে কারাগার থেকে গুলশানের বাসায় উঠেছেন।  এ নিয়ে বিএনপি মহাসসিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।  তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়া এমন মুচলেকা দিতে পারেন না।  সরকার মিথ্যা কথা বলছেন।

তার আগে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে খালেদা জিয়াকে আবারও জেলে পাঠানো হবে। তার আগে বিএনপি নেতারা ঘোষণা করেছেন ৬ ডিসেম্বরের পর থেকে দেশ চলবে খালেদা জিয়ার নির্দেশে।

দুই দলের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের সুযোগ তৃতীয় কোন শক্তি যদি আবারও ক্ষমতায় এসে যায় সে সুযোগের অপেক্ষায় কোমন বাধছে কিছু চেনা রাজনৈতিক।

রাজনীতির মাঠের  নানা দলের নেতাদের কাছ থেকে শোন যাচ্ছে,২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেন সময়ের মতো এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) নামে একটি নতুন দল এবং ন্যাশনাল পিপলস পাটির (এনপিপি) নেতৃত্বে ১৭ দল নিয়ে ‘গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ’ নামে একটি নতুন জোট ‘কিংস পার্টি’র ভূমিকা নিতে যাচ্ছে। সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জোটটি রাজনীতির মাঠে এসেছে।

বিএনপির সাবেক নেতাদের সমন্বয়ে শিগগির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে বিএনএম নামে নতুন দলটি। তবে দলটির নেতারা দাবি করেছেন, এটি সরকারের কোনো আশীর্বাদপুষ্ট দল নয়।  তাঁরা বিএনপি ঘরানার মানুষ। অন্যদিকে নতুন জোটের নেতারা বলছেন, তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন।  আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে।  দল ও জোট দুটি ভিন্ন ঘরানার দাবি করলেও আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনেই দলীয় প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে বিএনএম।  নিবন্ধন পাবেন বলে উদ্যোক্তা নেতারা আশাবাদী।  গঠনতন্ত্রের খসড়াসহ আত্মপ্রকাশের সব প্রস্তুতিও গুছিয়ে এনেছেন দায়িত্ব পাওয়া নেতারা।  বরগুনা-১ আসনের সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য ড. আবদুর রহমানকে আহবায়ক করে ৩১ সদস্যের বিএনএমের প্রস্তাবিত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা উইংয়ের সাবেক প্রধান মেজর (অব.) মু. হানিফকে।  কমিটিতে রয়েছেন বিএনপি নেতা, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, আইনজীবীসহ পেশাজীবীরা।  আপাতত দলটির শীর্ষ নেতৃত্বে কিছুটা কম পরিচিতির নেতা থাকলেও সামনের দিনগুলোতে জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরা যুক্ত হবেন বলে দাবি করছেন উদ্যোক্তা নেতারা।  এরই মধ্যে দলটির জাতীয়তাবাদী আইনজীবী আন্দোলনের ২০১ সদস্যের সুপ্রিম কোর্ট শাখা কমিটি গঠন করা হয়েছে।  গেল ৭ নভেম্বর জাতীয় সিপাহি বিপ্লব দিবস পালনও করেছেন তাঁরা।

দলটির নাম প্রকাশের একজন নেতা বলেন,বিএনপি নির্বাচনে না গেলে ‘ইচ্ছুক’ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের মনোনয়ন দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে তারা।  নির্বাচন ঘনিয়ে এলে বিএনপিতে ‘অবম‚ল্যায়িত ও ক্ষুব্ধ’ নেতারা দলটিতে যোগ দেবেন- এমনটা আশা উদ্যোক্তাদের।  এরই মধ্যে এমন বেশ কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয়, মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে বলে দাবি করছেন দলটির নেতারা।  তাঁরা ইতিবাচক বলে দাবি করে ‘পরিস্থিতি তৈরি’ এবং ‘সময় হলেই’ তাঁদের নাম বলবেন বলে জানিয়েছেন।  নয়াপল্টন ও বনানীতে দুটি কার্যালয়ে চলছে কার্যক্রম।  দলটির ম‚ল সোøগান হচ্ছে ‘সবার উপরে দেশের স্বার্থ, জনগণের স্বার্থ’।  অবশ্য নতুন দলটিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে একটি দলনিরপেক্ষ সরকারের পক্ষে।  একই সঙ্গে দলটি বলছে সংসদীয় গণতন্ত্র সমর্থন করে।  তবে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন করার ব্যবস্থাও চিন্তা করা যেতে পারে।

এ ব্যাপারে বিএনএমের আহবায়ক অধ্যাপক ড. আবদুর রহমান বলেন, তাঁরা বিএনপি ভাঙতে চান না।  তবে বিএনপি যদি নির্বাচনে না যায় বা গেলেও কোনো নেতা মনোনয়ন না পান- তিনি আমাদের দলে আসতে চাইলে আমরা তাঁকে নেব।  ঋণ খেলাপি, দুর্নীতিবাজ না হলে এবং এলাকায় তুলনাম‚লক সৎ ও ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত থাকলে তাঁকে মনোনয়নও দেওয়ার চেষ্টা করব।  এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভালো মানুষ ধরে রাখতে না পারার দায় তো বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতা, আমাদের নয়।  এরই মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবীণ বিএনপি নেতা আবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দায়ও বিএনপিরই।

প্রস্তাবিত ৩১ সদস্যের কমিটির আহবায়ক ড. আবদুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মেজর জেনারেল (অব.) এহতেশাম উল হক, ব্যারিস্টার মেজর (অব.) সরোয়ার হোসেন (মুখপাত্র), ডা. ইকবাল হাসান মাহমুদ, ড. মো. শাহজাহান, ড. মো. সামসুল আলম, অ্যাডভোকেট এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার, এ কে এম মতিউর রহমান।  সদস্য সচিব মেজর (অব.) মু. হানিফ।  সদস্যরা হলেন- মো. নুরুজ্জামান মো. মিজানুর রহমান বাকু, মেজর (অব.) মো. ইমরান, লে. কর্নেল (অব.) আলমগীর হোসাইন, অ্যাডভোকেট এম এন মোস্তফা নূর, মেজর এ কে এম সাঈদুর রহমান, আবুল কাশেম, অ্যাডভোকেট সাহেদ আলী জিন্নাহ, অ্যাডভোকেট এ কে এম মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন বাচ্চু, অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির মঞ্জু ব্যারিস্টার ইমাম হোসেন তারে, ব্যারিস্টার দিদার-ই ইলাহী, ব্যারিস্টার রফিকুল আমীন, তালুকদার মনিরুজ্জামান মনির, মেজর (অব.) মিজানুর রহমান, মেজর (অব.) শিবলী মোহাম্মদ সাদেক, মেজর (অব.) তৌহিদুর রহমান চাকলাদার, এ এফ ওবায়দুল্লাহ মামুন ও ক্যাপ্টেন (অব.) মো. সাইফুর রহমান।  এর মধ্যে অ্যাডভোকেট আনোয়ারা শিখা কমিটি থেকে সরে গেছেন।  তবে তিনি দলের সঙ্গে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

বিএনপির সাবেক নেতা ছাড়াও কমিটির ১২ জন ব্যারিস্টার ও অ্যাডভোকেট, ১০ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশাজীবী।  কমিটির আহবাক ড. আবদুর রহমান বিএনপিদলীয় এমপি ছাড়াও বরগুনা জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও ছাত্রজীবনে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে বেসরকারি প্রাইম ইউনির্ভাসিটির ফ্যাকালিটি ডিনের দায়িত্বে রয়েছেন।

দলটির যুগ্ম আহবায়ক ও সমন্বয়কারী মেজর (অব.) ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন পিরোজপুর বিএনপির সদস্য ছিলেন।  তিনি বলেন, বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে আমরা নতুন দল করতে বাধ্য হয়েছি।  দলে যোগ্য, দক্ষ ও সৎ নেতাদের ম‚ল্যায়ন করা হয় না।

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী গতকাল  বলেন, বিশ্বাসযোগ্যতা আনতে এ ধরনের নামসর্বস্ব দল ও জোটকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করে জনসমর্থনহীন সরকারগুলো। স্বৈরাচার সরকারদের এ ধরনের প্রচেষ্টায় জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। জনগণ এসব নেতা ও দলকে চেনে না এবং জনগণের মধ্যে কোনো প্রভাবও পড়বে না। আন্দোলন থেকে জনগণকে নিস্ক্রিয় করা যাবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত তিন নির্বাচনই প্রমাণ করে, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির কোনো নেতা নির্বাচনে অংশ নেননি। ভবিষ্যতেও নেবেন না। দল ভাঙার যত চেষ্টাই হোক কোনো লাভ হবে না।

সম্প্রতি ১৭ দল নিয়ে সরকার সমর্থক হিসেবে পরিচিত ‘গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ’ নামে নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।  নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ন্যাশনাল পিপলস পাটির (এনপিপি) নেতৃত্বে এই জোট গঠন করা হয়।  তবে জোটের অন্য কোনো দলের নিবন্ধন নেই।  এদের মধ্যে কেউ কেউ আগে আওয়ামী লীগবিরোধী বলয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ জোটের ঘোষণা দেন এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ ছালাউদ্দিন ছালু।  প্রয়াত নেতা শেখ শওকত হোসেন নীলুর আপন ছোট ভাই এই শেখ ছালাউদ্দিন ছালু।

জোটের অন্য দলগুলো হলো জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা (একাংশ), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ ভাসানী, ডেমোক্রেটিক পার্টি বাংলাদেশ-ডিপিবি, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন-বিজিএ, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন, বাংলাদেশ নাগরিক কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ কনজারভেটিভ পার্টি-বিসিপি, গণমুক্তি পার্টি, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন পার্টি, বাংলাদেশ ন্যায়বিচার পার্টি, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় লীগ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ আইডিয়াল পার্টি ও বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি।

শেখ ছালাউদ্দিন ছালু বলেন, এনপিপি একটি নির্বাচনমুখী দল।  আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী।  ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।  সেই নির্বাচন সামনে রেখে ১৭ দল নিয়ে আমরা একটি নির্বাচনী জোট গঠন করেছি।  আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে এই জোটের প্রার্থী অংশ নেবে।  এ সময় তিনি দেশ ও জনকল্যাণে গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চের ১৮ দফা ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের একাধিক নীতিনির্ধারক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে সাবেক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল বিএনপিও ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে গুঞ্জন রয়েছে।  উচ্চ আদালত দলটিকে নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। একই সঙ্গে জামায়াতের সাবেক নেতাদের নেতৃত্বে গঠিত ‘এবি পার্টি’ও ‘কিংস পার্টি’ কিনা- এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।  দলটি এখনও বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কোনো জোটভুক্ত হয়নি।  অবশ্য নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে।

বিগত ১৫ বছরে নানা অজুহাতে জন্ম নেয়া কিংস পার্টি হিসেবে আলোচিত পার্টিগুলোর মধ্যে ছিল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকার তৎকালীন চেয়ারম্যান কাজী ফারুক আহম্মদের ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, শেখ শওকত হোসেন নীলুর নেতৃত্বে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)।  এর বাইরেও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউন‚সের নেতৃত্বে ‘নাগরিক শক্তি’ নামে দল গঠনের তোড়জোড় থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি এ প্রক্রিয়া থেকে সরে আসেন।