বারইয়ারহাটে চোরকে গণপিটুনি, জানে না পুলিশ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাট পৌরবাজারে এক চোরকে আটক করে গনপিটুনি দিয়ে চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বারৈয়ারহাট পৌর বাজারের শান্তির হাট সড়ক মুখে ফারিয়া ইলেকট্রিক এন্ড টেলিকম সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বারৈয়ারহাট পৌর বাজারের ফারিয়া ইলেকট্রিক এন্ড টেলিকম সেন্টারে সত্ত্বাধিকারী মোঃ হানিফ সকালে দোকান খুলতে না খুলতেই ইসলামী সুন্নতি সুদর্শন চেহারার দুই ব্যক্তি কাস্টমার সেজে আসেন। তাদের একজন দোকানের ভেতর প্রবেশ করে বিভিন্ন মালামাল দামদর করতে থাকেন। এই ফাঁকে অন্যজন দোকান মালিকের লেপটপ ও অন্যান্য মূল্যবান মালামালসহ একটি ব্যাগ নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান। দোকানে অবস্থানরত ব্যক্তির সাথে কথা বলার ফাঁকে তাৎক্ষণিক নজরে আসে ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। দ্রুত গতিতে একজন ব্যাগ নিয়ে চলে গেলেও দোকানের অভ্যন্তরে থাকা ব্যক্তিকে সহযোগী সন্দেহে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে স্থানীয় জনতার গনপিটুনির মুখে স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার সহযোগীতায় চুরি হওয়া মালামালসহ ব্যাগটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় বারৈয়ারহাট রেল লাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করা গেলেও ব্যাগ নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যাওয়া ব্যক্তির হদিস পাওয়া যায়নি।

তবে আটককৃত চোরকে আইনের কাছে সোপর্দ না করে গনপিটুনি দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে স্থানীয়রা জানান, পুলিশের হাতে চোর তুলে দিয়ে কোন লাভ নেই। চোর জামাই আদরে থানা বা জেল থেকে বের হয়ে যায় উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়চোর আটককারীদের। তাই গনপিটুনি দিয়ে ছেড়ে দেয়াই উত্তম।

দোকান মালিক হানিফ জানান, চুরি হওয়া মালামাল ও টাকা উদ্ধার হয়েছে। আমি আর বাড়তি ঝামেলায় জড়াতে চাইনা। তাই পরিবারের সাথে কথা বলে চোরকে ছেড়ে দিয়েছি। পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি তার বাড়ি নরসিংদী।

জোরারগঞ্জ থানা ডিউটি অফিসার জানান, চোর আটক কিংবা চুরির কোন তথ্য থানাকে কেউ অবহিত করেনি।