ঐতিহাসিক গণ অভ্যূত্থান দিবস বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের মাইলফলক

মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম – বৃহত্তর চট্টগ্রামের উদ্যোগে ঐতিহাসিক গণঅভ্যূত্থান দিবস পালনোপলক্ষে আলোচনা সভা মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সংগঠনের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী’র সভাপতিত্বে নগরীর দোস্তবিল্ডিংস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের প্রচার সম্পাদক ইমরান হোসেন মুন্নার সঞ্চালনায় সভায় আলোচনায় অংশ নেন আবদুল মালেক খাঁন, রঞ্জন প্রসাদ দাশগুপ্ত, ইঞ্জিনিয়ার পলাশ বড়ুয়া, রঘুনাথ মজুমদার রাজু, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, রাজীব চন্দ, নবী হোসেন সালাউদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার ইয়াকুব মুন্না, মোরশেদ আহমেদ, সোহেল ইকবাল, এস এমরাফি, আবদুর রহীম, এম এ খালেক, মিশু সেন, মোহাম্মদ ইকবাল প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এক তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক। বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তিসনদ ৬ দফা, পরবর্তী সময়ে ১১ দফা, ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান ও সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের ধারাবাহিকতায় একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে রক্তাক্ত সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালির স্বাধীনতা এসেছে। স্বাধীনতা আন্দোলন দমাতে পাকিস্তানিরা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে শেখ মুজিবসহ অন্যদের গ্রেফতার করে।

এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনে ঊনসত্তরের ২৪ জানুয়ারি গণ অভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় অনিবার্য হয়ে ওঠে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। সভায় ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি ভয়াল ‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ দিবসের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।