# বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো
-গোলাম মোস্তফা ভারপ্রাপ্ত এমডি, ডিপিডিসি
স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে স্বামী আছেন কারাগারে। অথচ কর্মস্থলে সেই স্বামীকে ছুটিতে আছে দেখিয়ে চাকরি রক্ষার চেষ্টা করছেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রায়ত্ব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে (ডিপিডিসি) এমন ঘটনা ঘটেছে।
চাকরিবিধি অনুযায়ী গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে দাপ্তরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, তাকে রক্ষা করছেন ডিপিডিসি’র স্বামীবাগ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন। স্ত্রীর মামলায় জেলে যাওয়া ব্যক্তি হলেন ওই বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমান। গত ২২ জানুয়ারি তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার শ^শুর মো. হান্নান। অভিযোগ রয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী মোটা অংকের লেনদেনের কারণে ওই কর্মকর্তাকে বাচাঁতে কৌশল অবলম্বন করছেন। এমনকি তিনি ডিপিডিসির শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও জানায়নি।
মুশফিকের শ^শুর জানান, যৌতুক মামলায় ২২ জানুয়ারি গ্রেপ্তার হয়ে ডিপিডিসির স্বামীবাগ উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমান জেল খাটছেন। তাকে বিদ্যুৎ অফিসের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই মামলা কয়েক মাস ধরে চলছে। মুশফিক আমার মেয়েকে মারধর করে। ওদের দুই বছরে একটি সন্তান রয়েছে। কোনো ভরণপোষণ দেয় না। তাই বাধ্য হয়ে মামলা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বিয়ে করেছে পছন্দ করে, এখন কোটি টাকা ফ্ল্যাট দাবি করছে। আমার তো টাকা নেই, কোনো ভাবে সংসার চলছে। তবে কয়েকবার করে আমি কমবেশি কিছু টাকা দিয়েছি। তা মুশফিক মানে না। তার দাবিকৃত টাকাই চায়।
ডিপিডিসি’র স্বামীবাগ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই বিষয় অফিসে জানানো হয়েছে। তারা কেনো ব্যবস্থা নেয় নাই, তা এমডি (স্যার) ভালো বলতে পারবে। আপনি জেলখানায় দেখা করে ছুটির আবেদন এনেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আপনি তার কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনি বললে বলতে পারবেন, আমি কোনো প্রকার আপরাধে সঙ্গে যুক্ত নই।
এ ব্যাপারে ডিপিডিসি’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, বিষয়টি আমার বিষয়টি জানা নেই। মুশফিক গ্রেপ্তার হয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো। এ ছাড়া যদি নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন ঘটনা ধামা চাপা দিচ্ছেন এমন প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।