বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক উন্নয়ন ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিংয়ের জন্য অতিরিক্ত কাজের ব্যয়ের পৃথক দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে ১২২ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৭৬০ টাকা। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় প্রস্তাব দুটোতে অনুমোদন দেওয়া হয় বলে অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান জানান। তিনি বলেন, ‘বগুড়া (জাহাঙ্গীরাবাদ)-নাটোর মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের প্যাকেজ নং ডব্লিউপি-০৪ এর পূর্ত কাজ ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এই প্রকল্পে ব্যয় হবে ১১৩ কোটি ৮৪ লাখ ৩৬ হাজার ৩৫৮ টাকা। প্রকল্পটি সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের পূর্ত কাজ ক্রয়ের জন্য এক ধাপ দুই খাম দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে ৮টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল করে। তার মধ্যে ৬টি কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়। দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে মীর হাবিব আলম এবং মাহবুব ব্রাদার্স প্রাইভেট লি. প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্যাকেজের আওতায়: মাটির কাজ ৩.৬ লাখ ঘন মিটার, ৪-লেনে উন্নীতকরণ ৩.৭ কিলোমিটার, মজবুতিকরণ ৩.৭ কিলোমিটার, পুনঃনির্মাণ ৫.২৩ কিলোমিটার, সার্ফেসিং ৩.৭১ কিলোমিটার, রোড ডিভাইডার ৩.৩২ কিলোমিটার, বাস-বে ৩টি, সেতু কালভার্ট ২৮.৫০ মিটার, কংক্রিট স্লোপ প্রটেকশন ২০ হাজার ব.মি., টোওয়াল ১০০০ মিটার, আরসিসি টোওয়াল ১০০০ মিটার কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অতিরিক্ত সচিব বলেন. ‘পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ও মেইন্টেনেন্স ড্রেজিং’ প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্পে কাজের সময় বৃদ্ধির কারণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার ৪০২ টাকা বেশি পরিশোধ করতে হবে। ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ তারিখে সিসিজিপি সভার অনুমোদনক্রমে পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ও মেইন্টেনেন্স ড্রেজিং প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে যৌথভাবে সিডিআর ইন্টারন্যাশনাল, ডেল্টারেজ এবং ডেবকন এর সঙ্গে ২৭ কোটি ৪৩ লাখ ১৫ হাজার ৩০৮ টাকায় নিয়োগের চুক্তি করা হয়। চুক্তি অনুসারে কাজ চলমান অবস্থায় ড্রেজিং কাজের সময় বৃদ্ধি হওয়ায় প্রকল্পে নিয়োজিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ ৬ মাস বৃদ্ধির জন্য ভেরিয়েশন বাবদ অতিরিক্ত ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার ৪০২ টাকা ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হলে কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে।