স্টেডিয়ামে পুলিশ বৃদ্ধির অনুরোধ এনএসসির

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্স। ক্রীড়াঙ্গনের শীর্ষস্থান হলেও জনসাধারণ-যান চলাচলে ব্যস্ত থাকে সারাদিন। বিকেলের পর থেকেই এই অঞ্চলে বাড়ে মাদক সেবকদের আনাগোনা।

স্টেডিয়াম আশেপাশে মাদক কেনা-বেচা এবং সেবক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা ফেডারেশন সংশ্লিষ্টদের। তারা বিষয়টি স্টেডিয়ামের কর্তৃপক্ষ মারফত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে অবহিত করেছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদও তড়িৎ উদ্যোগ নিয়েছে।

রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক প্রশাসন শেখ হামিম হাসান মতিঝিল জোনের ডিসিকে একটি চিঠি দিয়েছেন। সেই চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, ‘দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা ও বিভিন্ন টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে ফেডারেশনের কর্মকর্তা/কর্মচারী/খেলোয়াড়গণ নিয়মিত তাদের অফিসে যাতায়াত করেন। সম্প্রতি বিভিন্ন মহল থেকে জানা যাচ্ছে যে, স্টেডিয়ামগুলোর আশেপাশে মাদক বেচা-কেনা এবং মাদক সেবকদের আনাগোণা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ফেডারেশনগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনে নানা রকম জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে।

এমতাবস্থায়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আওতাধীন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামের আশেপাশে নিয়মিত টহল পুলিশ আরো বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এদিকে চলতি বছরেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে খেলা শুরুর কথা থাকলেও তা শেষ সময়ে পিছিয়ে গিয়েছে। ২০২১ সালের জুলাই থেকে চলছিল এর সংস্কারকাজ। এখনও গ্যালারি, ফ্লাডলাইট ও প্রেসবক্স আধুনিকায়নের কাজ বাকি। অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সেকারণেই কথা ছিল ১৭তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা হবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। তবে শেষ সময়ে এসে তা বন্ধ হয়ে যায়।