চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের উত্তরের জনপদ ১৯নং আমানউল্যা ইউনিয়নের ৫ ও ৮ নং ওয়ার্ডের চেউরিয়া সার্কুলার সড়ক থেকে সন্তোষপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা। এতে চরম ভোগান্তিতে কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
আমানউল্যা ইউনিয়নের প্রধান এই সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন আকবর হাট সন্তোষপুর, কালাপানিয়া, গেলাম নবী উচ্চ বিদ্যালয়, সন্তোষপুর উচ্চ বিদ্যালয়, আবদুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তর সন্দ্বীপ ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে জাতায়াত করেন কয়েক হাজার মানুষ। কাদা পানি ও গর্তে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
বুধবার (২২ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, দুর্ভোগের প্রধান কারণ ব্যাপক খানাখন্দ। ভেজা ও অতিবোঝাই বালু পরিবহনে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব বালুবাহী ট্রাক থেকে চুইয়ে পড়া পানিতে সড়কটি সবসময় কাদা পানিতে একাকার হয়ে থাকে। খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তে পানি জমে থাকে। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হয় স্থানীয় ও বেড়াতে আসা বিপুলসংখ্যক জনসাধারণের।
এদিকে, জনদুর্ভোগ লাঘবে বিকল্প সড়কের প্রয়োজন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
জানতে চাইলে সাবেক ইউপি সদস্য হারাধন মজুমদার বলেন, আমি এই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য। গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির পাশেই রয়েছে সন্দ্বীপের ঐতিহ্যবাহী চেউরিয়া রাধা কৃষ্ণ মন্দির ও সন্তোষপুর হোসনিয়া কাসেমুল মাদ্রাসা। সামান্য রাস্তায় পাকা না হওয়ায় এখানকার বাসিন্দারা খুব কষ্ট করছেন।
চেউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সজীব সূত্রধর বলেন, রাস্তাটি খুবই জরাজীর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তায় চলাফেরা করতে খুবই কষ্ট হয়। আমাদের ছাত্র ছাত্রী রাস্তায় গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
আমানউল্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, আমানউল্যা সন্দ্বীপে একটি ছোট ইউনিয়ন। এই ইউনিয়ন পরিষদের আয় অত্যন্ত সীমিত। অনেক তদবির করে জেলা পরিষদ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ করে অর্ধেক সড়ক পাকাকরণ করেছি। এলজিআরডি বা জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ নিয়ে বাকি অংশের কাজ শেষ করতে পারলে আমানউল্যাকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রূপ দিতে পারব।