আওয়ামী লীগে সাজ সাজ রব
১০ হাজার মনোনয়নপত্র বিক্রির প্রস্তুতি অনলাইন ও অফলাইনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা ১৮-২১ নভেম্বর
বাংলাদেশে নির্বাচন মানেই উৎসব। নির্বাচনের এই উৎসবের ইতিহাস বহু পুরোনো। কিন্তু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়টাই ভিন্ন। কারণ এবারই প্রথম সরাসরি নির্বাচন ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বিশ^মোড়লখ্যাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার সমর্থক দেশগুলো।
এবারের নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ বিশ^পরিমন্ডলে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এর আগে কেবল ১৯৭১ সালের নির্বাচনেই এমন পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল। তখন অবশ্য বাংলাদেশ নামক দেশের জন্মই হয়নি। স্বাধীন হওয়ার ঠিক ৫০ বছর পর বাংলাদেশ নিয়ে বিশ^মোড়লদের এই মাতামাতি এবারের নির্বাচনে তাই ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
১৯৭১ সালেও নির্বাচনের নেতৃত্ব দিয়েছিল আওয়ামী লীগ, ৫০ বছর পরও সেই নির্বাচনের নেতৃত্বের আসনে আসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তাই দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগে বেশ সাজ সাজ রব। বিশ^ জয় করার মতো আনন্দ নিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দলটি। আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে আজ। বিকাল ৩টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রির কাজ উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। আর মনোনয়নপত্র বিক্রি ও জমার কার্যক্রম পরিচালিত হবে দলের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে। সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন সামনে রেখে এবার ১০ হাজার মনোনয়নপত্র বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য অন্যান্য প্রস্তুতিও শেষ করেছে দলটি। এর আগেই নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য ১৮ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত (প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা) দলীয় মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা প্রদানের তারিখ নির্ধারণ করেছে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলটি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বুথ থেকে দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং জমা প্রদান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৃতীয় তলায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপত্র পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচ তলায় সকল বিভাগের মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা প্রদান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে এবং ফটোকপির ওপর মোবাইল নম্বর ও বর্তমান সাংগঠনিক পরিচয়সহ ৩টি পদ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার কথাও বলা হয়েছে। বিক্রি ও জমাদান প্রক্রিয়া সহজ করতে এবার অনলাইন এবং সরাসরি দুভাবেই মনোনয়নপত্র বিতরণ করবে আওয়ামী লীগ। প্রতিবারের মতো এবারও প্রত্যেক বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে আটটি বিভাগের জন্য আটটি বুথ করা হলেও এবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য দুটি বাড়তি বুথসহ মোট ১০টি বুথ থাকবে। বুথগুলোর জন্য এরই মধ্যে আলাদা আলাদা টিম গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশে নির্বাচন মানেই উৎসব। নির্বাচনের এই উৎসবের ইতিহাস বহু পুরোনো। কিন্তু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়টাই ভিন্ন। কারণ এবারই প্রথম সরাসরি নির্বাচন ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বিশ^মোড়লখ্যাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার সমর্থক দেশগুলো।
এবারের নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ বিশ^পরিমন্ডলে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এর আগে কেবল ১৯৭১ সালের নির্বাচনেই এমন পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল। তখন অবশ্য বাংলাদেশ নামক দেশের জন্মই হয়নি। স্বাধীন হওয়ার ঠিক ৫০ বছর পর বাংলাদেশ নিয়ে বিশ^মোড়লদের এই মাতামাতি এবারের নির্বাচনে তাই ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
১৯৭১ সালেও নির্বাচনের নেতৃত্ব দিয়েছিল আওয়ামী লীগ, ৫০ বছর পরও সেই নির্বাচনের নেতৃত্বের আসনে আসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তাই দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগে বেশ সাজ সাজ রব। বিশ^ জয় করার মতো আনন্দ নিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দলটি। আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে আজ। বিকাল ৩টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রির কাজ উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। আর মনোনয়নপত্র বিক্রি ও জমার কার্যক্রম পরিচালিত হবে দলের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে। সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন সামনে রেখে এবার ১০ হাজার মনোনয়নপত্র বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য অন্যান্য প্রস্তুতিও শেষ করেছে দলটি। এর আগেই নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য ১৮ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত (প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা) দলীয় মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা প্রদানের তারিখ নির্ধারণ করেছে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলটি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বুথ থেকে দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং জমা প্রদান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৃতীয় তলায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপত্র পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচ তলায় সকল বিভাগের মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা প্রদান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে এবং ফটোকপির ওপর মোবাইল নম্বর ও বর্তমান সাংগঠনিক পরিচয়সহ ৩টি পদ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার কথাও বলা হয়েছে। বিক্রি ও জমাদান প্রক্রিয়া সহজ করতে এবার অনলাইন এবং সরাসরি দুভাবেই মনোনয়নপত্র বিতরণ করবে আওয়ামী লীগ। প্রতিবারের মতো এবারও প্রত্যেক বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে আটটি বিভাগের জন্য আটটি বুথ করা হলেও এবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য দুটি বাড়তি বুথসহ মোট ১০টি বুথ থাকবে। বুথগুলোর জন্য এরই মধ্যে আলাদা আলাদা টিম গঠন করা হয়েছে।