গাজীপুরের শ্রীপুরে বিবাহিতদের পদ দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগ। নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাওরাইদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছে পদবঞ্চিত ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর বিকেলে কাওরাইদের বলদীঘাট বাজারে পদবঞ্চিত এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি প্রতিবাদ মিছিল করেন, এসময় তারা বলেন টাকার বিনিময়ে বিবাহিতদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ছাত্রলীগের বিধি বহির্ভূত কাজ। কমিটির আট জনের মধ্যে চারজন বিবাহিত। এছাড়াও শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাহবুব হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ সভাপতি পদপ্রার্থী আল আমিন বলেন, আহবায়ক আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেছিল। সেই টাকা দিতে না পারায় আমাকে কোনো পদে রাখেনি।
গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনটি ইউনিয়ন ও একটি কলেজ শাখার কমিটি দেয়া হয়। সেগুলো হলো, কাওরাইদ ইউনিয়ন, মাওনা ইউনিয়ন, গোসিঙ্গা ইউনিয়ন ও ধলাদিয়া কলেজ শাখা।
যাদের স্বাক্ষরে কমিটিগুলোর অনুমোদন করা হয়েছে, তারা হলেন, শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাহবুব হাসান, যুগ্ম আহবায়ক সোহেল সরকার ও আলমগীর হোসেন মারুফ। যুগ্ম আহবায়ক দুজনেই বলছেন, তাদের স্বাক্ষর জাল করে এ কমিটির অনুমোদন করা হয়েছে। তারা সেখানে স্বাক্ষর করেননি বলে জানিয়েছেন।
এসব বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাহবুব হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। মেসেজ পাঠালেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।
এসব বিষয়ে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুলতান মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমি চাই, সর্বোপরি সংগঠন ভালো থাকুক, যেহেতু একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সেহেতু আমি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে এর বাইরে আমার কিছু বলার নেই।