ওভারটেক করতে গিয়ে পিকআপ ও বিলবোর্ডে বাসের ধাক্কা, নিহত ৪

ঢাকার মহাখালী থেকে ছাড়ার পর থেকে স্বাভাবিকভাবেই বাসটি চলছিল। তবে গাজীপুরের চৌরাস্তা পার হওয়ার পর চালক বেপরোয়া গতিতে চালাতে শুরু করে। বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে যাচ্ছিল। বারবার নিষেধ করার পরও চালক কথা শোনেনি। উল্টো আমাদেরকে বলেছে, আপনারা ভালো করে বসেন, বেশি কথা বলবেন না। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। ময়মনসিংহ শহরে ঢোকার আগে দুর্ঘটনায় পড়তে হলো। কপালে দুর্গতি ছিল বলেই দুর্ঘটনায় অনেকেই মারা গেছেন, আবার আমার মতো অনেকেই আহত হয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন।’

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন গার্মেন্টকর্মী সেলিনা বেগম (৫০) কথাগুলো বলছিলেন। তিনি ঢাকা ময়মনসিংহ-মহাসড়কের শিকারিকান্দায় বাস ও পিকআপের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। তিনি জানান, গার্মেন্ট থেকে ছুটি নিয়ে বাবার বাড়ি শেরপুর সদরে যাচ্ছিলেন। তিন দিন ছুটি কাটিয়ে শুক্রবার আবারও ঢাকায় ফেরার কথা ছিল।

ঢাকার মহাখালী থেকে ছাড়ার পর থেকে স্বাভাবিকভাবেই বাসটি চলছিল। তবে গাজীপুরের চৌরাস্তা পার হওয়ার পর চালক বেপরোয়া গতিতে চালাতে শুরু করে। বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে যাচ্ছিল। বারবার নিষেধ করার পরও চালক কথা শোনেনি। উল্টো আমাদেরকে বলেছে, আপনারা ভালো করে বসেন, বেশি কথা বলবেন না। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। ময়মনসিংহ শহরে ঢোকার আগে দুর্ঘটনায় পড়তে হলো। কপালে দুর্গতি ছিল বলেই দুর্ঘটনায় অনেকেই মারা গেছেন, আবার আমার মতো অনেকেই আহত হয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন।’

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন গার্মেন্টকর্মী সেলিনা বেগম (৫০) কথাগুলো বলছিলেন। তিনি ঢাকা ময়মনসিংহ-মহাসড়কের শিকারিকান্দায় বাস ও পিকআপের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। তিনি জানান, গার্মেন্ট থেকে ছুটি নিয়ে বাবার বাড়ি শেরপুর সদরে যাচ্ছিলেন। তিন দিন ছুটি কাটিয়ে শুক্রবার আবারও ঢাকায় ফেরার কথা ছিল।

দুর্ঘটনায় বাসের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে দুই জন ও হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুই জনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা আহত ৪০ জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কামরুল হাসান বলেন, দ্রুতগতির বাস পিকআপকে ওভারটেক করার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়। কয়েকজন তখন সড়কের পাশে দোকানে বসা ছিলাম। শব্দ শুনে এসে দেখি অনেক লোক আহত, বাসের চাপায় দুই জন ঘটনাস্থলে মারা গেছে। আশপাশের অনেক লোক চলে আসে। আমরা আহতদের উদ্ধার করার চেষ্টা করি এবং তাদেরকে হাসপাতালে পাঠাই। এরপরে খবর পেয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস আসে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহত ৪০/৫০ জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাস এবং সড়কে পড়ে যাওয়া বিলবোর্ড সরানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।