যাত্রীদের চলাচলে সুবিধা, সূচি বিপর্যয় এড়ানো আর আয় বাড়াতে আগামী বছরের শুরুতে ট্রেনের সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে কাজ শুরু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
জানুয়ারির মধ্যেই নতুন সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী।
তিনি বলেন, ‘অসময়ে ট্রেন চলাচলের কারণে আয় কম হয়। নতুন সময়সূচিতে তা সমন্বয়ের মাধ্যমে আয় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে। হয়তো জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে নতুন সময়সূচিতে ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হবে না। তবে জানুয়ারি মাসের মধ্যেই নতুন সূচি নির্ধারণের কাজ শেষ হবে।’
নতুন সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে যাত্রী সুবিধাসহ বেশ কিছু বিষয় বিবেচনায় নিচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। এতে প্রাধান্য পাবে গভীর রাতে যাত্রীদের ঘরে ফেরার বিড়ম্বনা কমানো। পাশাপাশি একইদিন যাতে একই অঞ্চলের একাধিক ট্রেন বন্ধ না থাকে- সেদিকেও নজর রাখা হবে।
এরসঙ্গে যাত্রীদের সুবিধাজনক সময়ে ট্রেনের সূচি সাজিয়ে কীভাবে আয় বাড়ানো যায় সেটি নিয়ে কাজ চলছে বলে জানান পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার।
তবে সময়সূচিতে নতুন কোনো ট্রেন যুক্ত হচ্ছে না বলেও জানান রেলের এই কর্মকর্তা।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহা-ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গভীর রাতের পরিবর্তে যাত্রীরা কীভাবে সময়মতো ঘরে ফিরতে পারবে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আবার একই অঞ্চলের ২-৩টি ট্রেন একইদিনে বন্ধ থাকে। সেটা যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা হবে।’
পূর্বাঞ্চল রেলেও নতুন কোনো ট্রেন যুক্ত হচ্ছে না বলে জানালেন তিনি।
তবে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক বলেন, ‘রেল স্টেশনগুলোতে যাত্রী চাহিদার কথা চিন্তা করে সময় নির্ধারণ করা উচিত। রেলের রুট অনুযায়ী সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে। তা না হলে ট্রেনের যাত্রীও বাড়বে না, আয়ও বাড়বে না।’