মারমুখী কর্মীদের নিয়ে ঢাকার পথে মিরসরাই বিএনপি

বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে মারমুখী নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার পথে মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

সূত্রে জানা গেছে, ২৮ অক্টোবর সমাবেশকে ঘিরে তিনদিন ধরে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, বাস ও ট্রেনে ধাপে ধাপে বিভিন্ন কৌশলে ঢাকায় গেছেন বিএনপি নেতারা। মিরসরাই থেকে সহস্রাধিক নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দেবেন।

বিএনপির বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে এই প্রতিনিধিকে জানাব, অতীতের অন্যান্য সমাবেশে ঢালাওভাবে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে যেভাবে সমাবেশে যোগ দেওয়া হতো, এবার তার ব্যতিক্রম। কেন্দ্র থেকে নির্দেশ, সাধারণ কর্মী সমর্থক নয় বরং সাহসী ও সামর্থ্যবান নেতাকর্মীদের নিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে হবে। তাই মিরসরাইয়ে ১৬ ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভা থেকে বেঁচে বেঁচে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম এমন কর্মীদের বাচাই করে সমাবেশে নেয়া হচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে যে সকল কর্মী মারামারি ও পিকেটিং করতে সক্ষম এমন কর্মীদের নিয়েই যেতে হবে সমাবেশে।

মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব গাজি নিজাম উদ্দিন জানান, আমাদের নেতাকর্মীরা গত এক সপ্তাহ ধরে ঢাকায় জমায়েত হচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছি নেতৃত্বস্থানীয় বেশ কয়েকজন। তবে কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী এবার আমরা ভিন্নভাবে ঢাকায় যোগ দিতে যাচ্ছি। আশা করছি অতীতের আন্দোলনের সকল সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে এবারের আন্দোলন।

মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, পূর্বের সকল আন্দোলন সংগ্রামে নেতাকর্মী সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে সমাবেশে যোগ দিতেন। কিন্তু এবার সে রকম হবে না। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এবার শুধু মাত্র কার্যকরী কমিটির সদস্যদের যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তবে স্থানীয় একাধিক বিশ্বস্থ সূত্র বলছে, প্রতি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে বাছাই করে ৫০ জন করে মোট ১ হাজার সক্রিয় ও আন্দোলনর জন্য সামর্থ্যবান নেতাকর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নয়াপল্টনের মহাসমাবেশে।