নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ট্রেন দুর্ঘটনায় । কিছু সময় পর পর বের করা হচ্ছে মরদেহ। আজ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাওয়া শেষ খবর পর্যন্ত অন্তত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, র্যাব-৯ এর এএসপি গোলাম মোহাম্মদ বলেন, আমরা ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানতে পেরেছি। বাকি হতাহতদের উদ্ধারে র্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক এনামুল হক বলেন, ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রথমে ভৈরব থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ১০টি ইউনিট উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। এছাড়া ঢাকা থেকে একটি বিশেষ ইউনিট ঘটনাস্থলে আসছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকাগামী এগারসিন্দুর ও ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মালবাহী একটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে গাইনাহাটি এলাকায় ভৈরব জংশনের কাছাকাছি । হতাহতদের উদ্ধারে তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা পরবর্তীতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও যোগ দেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, , যাত্রীবাহী ট্রেনটি যাচ্ছিল কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাচ্ছিল আর মালবাহী ট্রেনটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ভৈরব জংশনের আউটার পয়েন্ট ক্রসিংয়ে মালবাহী ট্রেনটি যাত্রীবাহী ট্রেনের শেষ দুই বগিতে ধাক্কা দেয়। যার ফলে বগি উল্টে যায় যাত্রীবাহী ট্রেনের কয়েকটি।