নির্ধারিত মূল্যে আলু বিক্রি না করে লাখ টাকা জরিমানা গুণল ব্যবসায়ী

নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় নিশ্চিত ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান

লাগামহীন দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ডিম, আলু পেয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। তবে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত দাম মানছে না কেউ। এতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা।

ভোক্তাদের দুর্ভোগ কমাতে ও নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় কর্তৃক নগরীর বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। যার মধ্যে অন্যতম ছিল নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজার ও পাহাড়তলী বাজার।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের তথ্য অনুযায়ী মুন্সীগঞ্জ এর হিমাগার হতে হিমাগার রেট ২৭ টাকা দরে ক্রয়কৃত আলু চট্টগ্রামের এই মাজারগুলোতে কয়েকজন ব্যবসায়ীর নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।

তথ্য ছিল. পাহাড়তলি বাজারের হাবিবুর রহমান এর প্রতিষ্ঠান মেসার্স লাকী স্টোরে ১৭ তারিখ ২৭ টাকা মূল্যে ২৫০ বস্তা আলু এসেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে তদন্তকালে দেখা যায় যে এই আলু ৩৯ টাকা পাইকারি দরে বিক্রয় করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের ওই আলুর প্রেরক বলেন, তিনি হিমাগার রেটে ২৭ টাকা দরে আলু ক্রয়ের পর চট্টগ্রামে পাহাড়তলী বাজারের হাবিবের নিকট ২৫০ বস্তা আলু পাঠিয়েছেন। তবে তিনি এ প্রতিষ্ঠানকে ৩৯ টাকায় আলু বিক্রয়ের নির্দেশনা দেননি।

ভোক্তা অধিকারের কাছে ওই প্রতিষ্ঠানের দোষ প্রমাণিত হওয়ায় ও নির্ধারিত মূল্যের চাইতে অধিক মূল্যে আলু বিক্রয় ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়াও ডিম ও আলুর আরও দুটি প্রতিষ্ঠানকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ দৈনিক দেশ বর্তমানকে বলেন, আমাদের হাতে তথ্য ছিল মুন্সীগঞ্জ থেকে ২৭ টাকা দরে আলু আলু এসেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করি। এবং একজনকে হাতেনাতে ধরার পর তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।