চট্টগ্রাম-মাইজভান্ডারি দর্শন শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে বক্তারা বলেছেন, “চারিত্রিক শুদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই হচ্ছে মাইজভান্ডারি তরিকার মূলমন্ত্র। এ “মূলমন্ত্রের প্রবর্তক আধ্যাত্মিক শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা গাউসুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী(ক.)। প্রখ্যাত গ্রন্থ “বেলায়েতে মোতলাকা”য় এই মূলমন্ত্রকে “সপ্তকর্ম পদ্ধতি বা উসূল এ সাব’আ” হিসেবে পরিচয় করে দিয়েছেন অছি এ গাউসুল আজম সৈয়দ দেলাওয়ার হোসেন মাইজভান্ডারি (ক)। মানবতা জাগরণে, বিশ্বসমস্যার সমাধানের একমাত্র মুক্তির দিশারী হচ্ছে মাইজভান্ডারি দর্শন।”
শুক্রবার(১ সেপ্টম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি হারুয়ালছড়িতে মাইজভান্ডারি আদর্শবাহী সংগঠন “আশেকানে হক ভাণ্ডারি শোকর এ মওলা মঞ্জিল” কর্তৃক আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্য বিশিষ্ট মাইজভান্ডারি গবেষক শাহেদ আলী চৌধুরী মাইজভান্ডারি।
নেওয়াজ শাহরিয়ার আসিফের সঞ্চালনায় এবং বিশিষ্ট ব্যাংকার শফিউল আজিম সুমনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সিনিয়র সদস্য শেখ মাকসুদুর রহমান দুলাল, মাতৃভূমি ফাউন্ডেশন, চট্টগ্রাম এর নির্বাহী পরিচালক কাজী মোহাম্মদ আহসান ইকবাল মঞ্জু ও মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ’র ‘খ’ জোন সমন্বয়ক মাষ্টার মুহাম্মদ দিদারুল আলম ও মুহাম্মদ নুরুল হুদা।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, “মাইজভান্ডারি তরিকার সপ্তকর্ম পদ্ধতি চরিত্রগতভাবে অর্জিত হলে আল্লাহর অলী হওয়া যায়। এজন্য আল্লাহর মনোনীত ব্যক্তির সান্নিধ্যে গিয়ে আর্তনির্ভরতা অর্জন করতে হবে। পরনিন্দা করে প্রবৃত্তিপ্রসূত ইচ্ছাকে বিলীন করে আল্লাহর ওপর আমাদের সন্তুষ্ট থাকতে হবে। আচার, ব্যবহার, লেনদেন, কথা বার্তায় সংযম পালন করতে হবে। আত্মসমালোচনা করতে হবে। লোভ-লালসা পরিহার করে সাধারণ জীবন যাপন করতে হবে।”
সাধারণ সভায় আগামী এক বছরের জন্য আশেকানে হক ভাণ্ডারি শোকর এ মওলা মঞ্জিল” এর ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি শফিউল আজিম সুমনকে সভাপতি এবং গোফরান উদ্দিন টিটুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সভাশেষে মিলাদ ও কিয়াম পরিচালনা করেন সুয়াবিল দায়রা শাখার সভাপতি মাওলানা আবু তাহের।
এমএইচএফ