হাটহাজারীতে আবারও মেছোবাঘ উদ্ধার

হাটহাজারীতে খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে এসে আবারও বিপন্ন প্রজাতির মেছোবাঘ (মেছোবিড়াল) ফাঁদে আটকা পড়েছে। এর আগে গত শনিবার রাতেও একটি মেছোবাঘ ওই ফাঁদে আটকা পড়েছিল।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩ টার দিকে ফাঁদ পাতা খামারি হালিম দৈনিক দেশ বর্তমানকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াডস্থ হালিমের মুরগী ফার্মে বসানো ফাঁদে এটি আটকা পড়ে।

ওই ওয়ার্ডের হোসেন কাজীর বাড়ির আমির আহমদের পুত্র খামারি আবদুল হালিম জানান, প্রতিদিনের মতো গতকাল মঙ্গলবার সকালেও খামারে গিয়ে দেখি ওই খাঁচায় আরেকটি মেছোবাঘ আটকা পড়েছে। এর আগে শনিবার রাতেও একটি মেছোবাঘ আটকা পড়েছিলো তবে আটকের ১৯ ঘন্টা পর পবিত্র শবে বরাতের রাত ১ টার দিকে বনবিভাগের রেসকিউ করতে আসা টিমের সদস্যদের অসাবধানতার কারনে সেটি নেট ছিড়ে পাশের একটি জঙ্গলে পালিয়ে গিয়েছিলো। পরদিন আরেকটি মেছোবাঘ আটক হলে বনবিভাগকে সেদিন সকালে জানানোর পর হাটহাজারী রেঞ্জ কর্মকর্তা সাইফুল মঙ্গলবার সকালের দিকে জানিয়েছিলেন তিনি দ্রুত ওখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, মঙ্গলবার দিন গিয়ে রাত আবার রাত গিয়ে বুধবার সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত বিপন্ন প্রজাতীর ওই মেছোবাঘটি (মেছোবিড়াল) রেসকিউ করতে কেউ সেখানে যাননি। পরে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও এবিএম মশিউজ্জামান কে ঘটনা জানালে তিনি চট্টগ্রাম নগরীর ফয়েজলেক এলাকায় অবস্থিত ভেটেনারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেসকিউ টিমকে গুমানমর্দ্দন ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে ওই প্রাণীটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবিএম মশিউজ্জামান দৈনিক দেশ বর্তমান কে জানান, আমি মেছোবাঘটি রেসকিউ করার জন্য “চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়” (সিভাসু) কর্তৃপক্ষকে জানালে তাদের একটি রেসকিউ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই প্রাণীটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।