যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর ওরফে পাপিয়াকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হয়। এর আগে অস্ত্র আইনে করা মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় পাপিয়া জামিন পেয়েছেন। ফলে তার কারামুক্তিতে আপাতত আইনগত বাধা নেই। বুধবার (১ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন এ জামিন দেন। পাপিয়ার আইনজীবী রবিউল আলমের বরাতে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে প্রথম আলো। আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী রবিউল আলম ও মোহাম্মদ হোসেন এবং দুদকের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানিতে ছিলেন। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “পাপিয়া দীর্ঘদিন কারাগারে আছেন, এমন যুক্তিতে তার আইনজীবী জামিন চেয়েছেন। মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। দুদকের পক্ষ থেকে জামিনের বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়। শুনানি নিয়ে আদালত রুলসহ তাকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন।” নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমনকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টার সময় গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই বছরের ৪ আগস্ট দুদক তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই মামলা তদন্ত শেষে চলতি বছরের ৩০ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৮৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে অভিযোগপত্রে। দুদকের করা ওই মামলায় পাপিয়া ও মফিজুরের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক।