সেপ্টেম্বরের মধ্যে গাজীপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটসহ পাঁচ সিটি করপোরেশনের ভোট শেষ করার পরিকল্পনা করেছে কমিশন। আর জুনের মধ্যেই গাজীপুরসহ দুই সিটির ভোট করতে চায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। তবে ময়মনসিংহের ভোটের ক্ষণগণনা ডিসেম্বরে শুরু হওয়ায় এই সিটি ভোট নিয়ে বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের। ইতিমধ্যে সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনাররা স্বল্প সময়ের মধ্যে পাঁচ সিটির ভোট করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
চলতি বছরের শেষ সপ্তাহে বা আগামী বছরের জানুয়ারির শুরুতে দ্বাদশ নির্বাচন করবে ইসি। এজন্য দ্রুত পাঁচ সিটির ভোট সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী, কোনো সিটির মেয়াদ ধরা হয় প্রথম সভা থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর।
কোনো সিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হয়। সেক্ষেত্রে গাজীপুর সিটির পরবর্তী ভোটের ক্ষণগণনা শুরু হবে চলতি মাসের ১১ মার্চ। ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অন্যদিকে খুলনা ও রাজশাহী সিটির ক্ষণগণনা শুরু হবে ১৩ এপ্রিল ১০ অক্টোবরের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বরিশাল সিটি ভোটের ক্ষণগণনা শুরু হবে ১৪ মে থেকে ১৩ নভেম্বর। সিলেট সিটি ৬ মে থেকে পরবর্তী নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হবে। ৬ নভেম্বরের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ময়মনসিংহ সিটি ভোটের ক্ষণগণনা শুরু হবে ২০ ডিসেম্বর। ১৯ জুন ২০২৪ সালের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
রোববার (০৬ মার্চ) নির্বাচন ভবনের নিজকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, জুনের আগে আগে দুই-একটা সিটি করপোরেশনের ভোট হবে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, বাকিগুলো জুনের পরে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিটি ভোট শেষ করব। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তপশিলের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি আমাদের। যেটা আলোচনা হয়েছিল গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট এইগুলোর নির্বাচনগুলো সেগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে করতে হয়।
তিনি বলেন, ইচ্ছা করলে ছয় মাসে শেষ করা যায়। মাঝামাঝি করা যায় আগেও করা যায় জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু আমাদের জাতীয় নির্বাচন আছে এ বছরের ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সেজন্য আমাদের চেষ্টা থাকবে এই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষের দিকে না করে প্রথম দিকে করা।
জাতীয় নির্বাচনের জন্য অনেক বিষয়ে প্রস্তুতির ব্যাপার আছে জানিয়ে তিনি বলেন, এজন্য সেটাই করব। গাজীপুরের ব্যাপারে শুধু ঐ টুকু আলোচনা হয়েছে তপশিল কবে এ ধরনের কোনো আলোচনা হয় নাই।
১১ মার্চ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরে গাজীপুরে ভোটের সময় জানিয়ে এই কমিশনার বলেন, যে কোনো সময়ে নির্বাচন হতে পারে। সেই হিসেবে যেহেতু জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। সেজন্য নির্বাচনগুলো আর্লি (আগে) করার চেষ্টা করব। মার্চের পরে যে কোনো সময় নির্বাচন হতে পারে।