সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি ছাত্র হলেও সাধারণ সম্পাদকের কোনো ছাত্রত্ব নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
শুক্রবার থেকে সাতকানিয়া উপজেলাজুড়ে শুধু এই বিতর্ক নিয়ে চলে নানান আলোচনা সমালোচনা।
জানা যায়, ১৪ই মার্চ বৃহস্পতিবার সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: আলী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত উপজেলার ২টি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।
একটি ছদাহা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ অপরটি সাতকানিয়ার উত্তর ঢেমশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি। ছদাহা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কোন বিষোদগার না থাকলেও বিষোদগার শুরু হয়েছে উত্তর ঢেমশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে।
ঢেমশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. ইমরান উদদীন উচ্চ শিক্ষিত হলেও জামায়াত ঘরানার সন্তান বলে প্রতিবেদককে জানিয়েছেন অনেকে। তবে বোরহান উদদীন দীর্ঘ সময় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় বলেও জানিয়েছেন অনেকেই।
অপরদিকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে আসলেও কোনো কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রত্ব নেই বলে অভিযোগ উঠেছে হাসান মুরাদের বিরুদ্ধে।
হাসান মুরাদকেই সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় ঢেমশার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিবেদককে কল করে বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্য করেন। এ দায় সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নীতিনির্ধারণী ফোরাম এড়াতে পারেননা বলেও জানান।
এদিকে ঢেমশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি এবং ছদাহা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আলীর। তিনি সাধারণ সম্পাদক হাসান মুরাদকে উচ্চ শিক্ষিত বলে দাবি করেন।