সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হলেন মো. কামাল হোসেন

চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান কবি ও সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন ‘জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফান্ডেশন’র কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হয়েছে।

গত শুক্রবার (৯ জুন) সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম ও মহাসচিব কে এম নূহ হোসাইন সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

কবি ও সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন১৯৭৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের হরিহর গ্রামের এক মধ্যবিত্ত শিক্ষিত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা প্রয়াত হাজী খায়ের আহামদ ও মাতা নুর আয়েশা বেগম। পিতা হাজী খায়ের আহামদ একজন প্রকৃত সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে রাঙ্গুনিয়া কলেজে এইচএসসি পড়াকালীন সময়ে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারত যান। সেখান থেকে যুদ্ধের ট্রেনিং গ্রহন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে অংশ নেন। মাতা নুর আয়েশা বেগম একজন শিক্ষিত গৃহীনি। তিনি রাঙ্গুনিয়ার শিলক ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধকালীন কমান্ডার সুবেদার মেজর আবদুল হামিদ সাহেবের ছোট বোন। পিতা মাতা দুজনই স্বাধীনতার স্বপক্ষ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী।

গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা মো. কামাল হোসেন রাঙ্গুনিয়ার উত্তর পদুয়া হাই স্কুল থেকে এসএসসি, পদুয়া ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেন। এ সময় তিনি পদুয়া ইউনিয়ন ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। স্বাধীনচেতা নিরহংকারী ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক কামাল লেখালেখিকে ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন।

তিনি ক্রমান্বয়ে জাতীয় ও স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকার প্রতিনিধি হয়ে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করেছেন। বর্তমানে তিনি সৌদি আরব প্রবাসী। প্রবাসী হয়েও তিনি দেশ, মা, মাটি, মুক্তিযুদ্ধ, শোষিত, বঞ্চিত, নির্যাতিত, কৃষক ও শ্রমিক জনতার পক্ষে লেখালেখি অব্যাহত রেখেছেন।

স্বাধীনতার স্বপক্ষে ও চলমান বাস্তবতার নিরিখে কবিতা লেখা তার শখ। রঙের প্রয়াস তার প্রথম যৌথ কাব্য গ্রন্থ। স্বাধীনতার স্বপক্ষে লেখালেখিতে পুরস্কার হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন থেকে অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।