মাছ ধরার বোটে করে পাচারের সময় ২ লাখ ইয়াবাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো, কুতুবদিয়ার সিকদার পাড়ার মো. ছবির আলমের ছেলে নুরুল আবছার (৩২), কক্সবাজার সদরের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. মেহের আলী (৩৯),একই এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে আব্দুল হামিদ (৩৭), কক্সবাজার উত্তর কুতুবদিয়া পাড়ার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. কালু (২৩) ও উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা আবু তাহেরের ছেলে নুরু হাসান (৩৩) ।
বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) ভোরে ইয়াবাসহ ওই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মাছ ধরার একটি বোট জব্দ করা হয়।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি, কিছু মাদক ব্যবসায়ী টেকনাফের শাপলাপুর এলাকা থেকে মাছ ধরার বোটে করে ইয়াবার বড় একটি চালান চট্টগ্রামে পাচারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব সমুদে নজরদারি জোরদার করে। এক পর্যায়ে বোটটি মগনামা ঘাট দিয়ে বাঁশখালী প্রবেশের চেষ্টা করে। বৃহস্পতিবার ভোরে র্যাব সদস্যরা বোটটিকে মগনামা ঘাটে আটক করে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় বোটের ভিতরে থাকা মাছের ড্রাম থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ২০টি প্যাকেটে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান, আসামীরা তাদের স্বীকারোক্তিতে জানায়, তারা পরষ্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবত টেকনাফের সীমান্ত এলাকা হতে সমুদ্রপথে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে এসে চট্টগ্রাম কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ছয় কোটি টাকা বলে জানান র্যাবের এ কর্মকর্তা ।