সন্দ্বীপে  সড়কের পাশে  বর্জ্য -আবর্জনার স্তূপ: পথচারীদের দুর্ভোগ 

সন্দ্বীপে গুপ্তছড়া সড়কের  রাস্তার পাশে ব্যস্ততম তালতলী  বাজারের রাস্তার উত্তর পাশে সরকারি খালের পাড়ে  দেদারসে ফেলা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা। পঁচে বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এতে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। দুর্গন্ধে নাকাল যাতায়াত রত এ অঞ্চলের মানুষ। বছরের পর বছর ধরে এ স্থানে এ ভাবে ময়লা আবর্জনার স্তূপ করে রাখায় শুধু পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে । নানা রোগও ছড়াচ্ছে। এসব অপসারণে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর কোন মাথা ব্যথা নেই। অথচ যে স্থানে এনে বর্জ্য ও ময়লা আবর্জনা পালানো হচ্ছে তার থেকে ৩০ গজ দুরে সরকারি কাজীর খিল প্রাথমিক বিদ্যালয়, এবং পশ্চিমে সন্দ্বীপ বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের অফিস। এ স্কুল ও অফিস ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক কর্মকর্তারা বর্জ্যর দুর্গন্ধে বসা দায় হয়ে যাচ্ছে,  বাতাসে নিয়ে আসে দুর্গন্ধ। নাক মুখ বন্ধ করে দ্রুত অতিক্রম করতে হবে। ময়লা আবর্জনার স্তুপের পঁচা পানি গাড়ির চাকায় ছিঁটকে পড়ছে চলাচলরত মানুষ ও যানবাহনের ওপর সন্দ্বীপ পৌর শহরের  সকল ময়লা আবর্জনা ট্রাক যোগে এখানে দেদারসে ফেলা হচ্ছে। এতে মশার কারখানা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে ওই ভাগাড়ের স্তুপে। ময়লার ভাগাড়ে মৌসুমের ফল-মূলসহ বিভিন্ন খাদ্য থাকায় খাবার সন্ধানে প্রায় সময় এখানে  মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষ এবং কুকুর আসে।
প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ বাজারে আগত মানুষজন চরম ভাবে দুর্ভোগে পড়তে হয়।  ময়লা আবর্জনা মাড়িয়ে প্রতিদিন  বিদ্যালয়, বশিরিয়া  ফাজিল মাদরাসা ও  কলেজের কয়েক শ’ শিক্ষার্থী তাদের প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করছে। স্হানীয় তালতলী বাজারের ব্যাবসায়ী অলক সওদাগর বলেন আমাদের বাজারের মধ্যে কোন রকমের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা নেই, মাছ বাজার একজায়গায় জেলেরা বসে রাস্তার পাশে বসে মাছের বর্জ্য নাড়ী ভূরি ফেলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। আমারা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে  সন্দ্বীপ পৌরসভার মেয়র মোক্তাদের মাওলা সেলিম বলেন আমাদের পৌরসভার ঐভাবে কোন বর্জ্যগার নেই, এ বর্জগুলি সরানোর জন্য কাজটি আমরা একটি প্রজেক্টকে দিয়েছি, প্রজেক্টি এখনো পাশ হয়নি, আরেকটু দোর্য ধরতে হবে। আশা করি সহসা বর্জ সরানো হবে।