দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে আসন্ন জাতীয় বাজেটে সকল সেক্টরের শ্রমিকদের জাতীয় মজুরি বোর্ড গঠন করে ন্যূনতম মজুরী ঘোষণাসহ বেশ কিছু দাবি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন।
শনিবার (১ জুন) সকাল ১০টায় ফেডারেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া।
এ সময় তিনি বেশকিছু দাবি নিয়ে পর্যালোচনা করেন। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো- শ্রম আইন বিরোধী আউট সোর্সিং নিয়োগ বন্ধ করতে হবে, বাংলাদশে রেলওয়েকে বিদেশী কোম্পানীর কাছে হস্তান্তরের অশুভ প্রক্রিয়া বন্ধ, সরকারী কর্মচারীদের ১০ গ্রেডের বৈষম্যমুক্ত পে-স্কেল ঘোষণা, শ্রমিকের জীবনরে নিরাপত্তা প্রদান, সকল সেক্টররে শ্রমিকদরে নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান, শ্রম আইন অনুযায়ী কর্মঘণ্টা বাস্তবায়ন, অতিরিক্ত কাজের মজুরি প্রদান, ঈদুল আজহার পূর্বে সকল সেক্টরের শ্রমিকদরে বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে হবে।
তিনি বলেন, বাজার দরের সাথে সংগতি রেখে মজুরী নির্ধারণের কথা উঠলেই সামনে আনা হয় নানা অজুহাত। শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি। দেশের উন্নয়নের অগ্রদূত এই শ্রমিকরাই অধিকার বঞ্চিত ও নির্যাতিত হচ্ছে। প্রবাসী শ্রমিকরা পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পুরিয়ে দিচ্ছে নিজেদের রঙিন সময়। তাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা বলা হলেও পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা। তাই এই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জন্য জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনার দাবী জানাচ্ছি।
দেশের শ্রম আইন অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর জাতীয় মজুরী বোর্ড গঠন করে নিম্নতম মজুরী ঘোষণার বিধান থাকলেও কোনো কোনো সেক্টরে এক যুগ পার হলেও মজুরী ঘোষণা শুধুই কালক্ষেপন।
এ সময় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএলএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রবিউল হক শিমুল, নুরুল আবছার ভূঁইয়া, জেলা বিএলএফ সভাপতি মো. সেলিম মিয়া, নুরুল আবছার তৌহিদ, সামছুল ইসলাম আরজু, হাজী আলমগীর হোসেন, গোলজার বেগম, কাজী জাহাঙ্গীর আলম, জিয়া উদ্দিন রানা, ওহিদূর রহমান মিন্টু, গোলাম শাহরিয়ার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।