লড়াই করেও আফিফদের হার

ইরফান শুক্কুরের হাফ সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল।  তবে শুক্রবার (২৬ মে) সকালে সেটা অস্বস্তিতে রূপ দিয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতা।  যদিও বল হাতে শুরুটা ভালো করেছিল বাংলাদেশ।

৭০ রানে ৫ উইকেট হারালেও জশুয়া ডি সিলভা এবং ব্রেন্ডন কিং মিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেনে তোলে।  তাদের দুজনের ব্যাটে শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের জয় পেয়েছে সফরকারীরা।  তাতে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।  সিলেটে তৃতীয় দিনের ৬ উইকেটে ২৭৪ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন শুক্কুর ও নাঈম হাসান।  তবে এ দিন খুব রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। মাত্র ২১ রান যোগ করতেই শেষ ৪ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।  বাংলাদেশ ২৯৭ রানে অল আউট হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯০ রান।

এমন লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে উইকেট হারায় তারা।  নাঈমের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন কির্ক ম্যাকেঞ্জি।  তবে ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক করতে পারেননি তিনি।  আউট সাইড এজ হয়ে স্লিপে থাকা নাইমকে ক্যাচ দেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।  প্রথম ইনিংসে ৯১ রান করা ম্যাকেঞ্জি এদিন আউট হয়েছেন ১২ রানে। ত্যাগনারায়ন চন্দরপলকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন রেইমন রেইফার।  তাদের দুজনের ২৮ রানের জুটি ভাঙেন সাইফ হাসান।  ডানহাতি এই অফ স্পিনারের গুড লেংথ ডেলিভারিতে লং অফে ঠেলে এক রান নিতে চেয়েছিলেন রেইফার।

ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজের বলে নিজেই দুর্দান্ত এক ক্যাচ লুফে নিলে ২২ রানে ফিরে যেতে হয় বাঁহাতি এই ব্যাটারকে।  নিজের পরের ওভারে বোলিংয়ে আসে চন্দরপলকেও আউট করেছেন সাইফ।  ডানহাতি এই অফ স্পিনারের অফ স্টাম্পের বলে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন তিনি।  তবে আউট সাইড এজ হয়ে নাইমের হাতে ক্যাচ দেন চন্দরপল।  বাঁহাতি এই ওপেনার আউট হয়েছেন ২২ রানে।  প্রথম ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি।  অ্যালিক অ্যাথানাজেকে থিতু হতে দেননি তানভির ইসলাম।  বাঁহাতি এই স্পিনারকে স্কয়ার লেগ দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে জাকির হাসানের তালুবন্দি হয়েছেন।  নিজের পরের ওভারে কেচি কার্টিকেও বিদায় করেন তানভির।  ৭০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সেখান থেকে সফরকারীদের টেনে তোলেন কিং ও ডি সিলভা।  তারা দুজনে মিলে যোগ করেন ৭৬ রান। হাফ সেঞ্চুরি করা কিংকে ৫৪ রানে ফিরিয়ে তাদের জুটি ভাঙেন তানভির।  দ্রুতই বিদায় করেছিলেন কেভিন সিনক্লেয়ারকেও।  তবে আকিম জর্ডান ২২ এবং ডি সিলভা অপরাজিত ৪৭ রানের ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় নিশ্চিত করেন ডি সিলভা।  বাংলাদেশের হয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন তানভির।