‘রূহানিয়্যত বিকাশে অনন্য পথিকৃৎ হযরত গাউছুল আজম’
হাটহাজারীতে মুনিরীয়া যুব তবলীগের এশায়াত মাহফিলে বক্তারা
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন ও খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত গাউছুল আজম (রাদি.) স্মরণে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ হাটহাজারী-ফটিকছড়ি সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে গতকাল (৪ নভেম্বর) শনিবার বাদে আসর হতে চট্টগ্রাম হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে এক এশায়াত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ নুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক মুহাম্মদ ফোরকান মিয়া।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও সিনেট সদস্য ও মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুর, চবি গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জালাল আহাম্মদ। মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহাম্মদ শফিউল আলম ও মাওলানা মুহাম্মদ এরশাদুল হক।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুর আলম, হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন,আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফারুক,গুলতাজ মেমোরিয়াল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ অলি আহাদ,চবির হিসাব নিয়ামক দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইফতেখার মুহাম্মদ আলমগীর চৌধুরী, চবির চাকসু ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী প্রমুখ।
মাহফিলে বক্তারা বলেন, যুগে যুগে মানুষকে হেদায়তের জন্য অসংখ্য নবী-রাসূল দুনিয়ার বুকে এসেছেন। আখেরী নবী ছৈয়্যদুল মুরসালিন (দ.) এর মাধ্যমে নবুয়তের পরিসমাপ্তি ঘটে। অতঃপর এই মহান দায়িত্ব পালন করছেন অলিগন। অলিদের যিনি প্রধান থাকেন উনি গাউছিয়্যতের মকামে আসীন থাকেন। কালের পরিক্রমায় আমরা পেয়েছি এমন একজন মনীষীকে যিনি শুধু গাউছিয়্যতের মকামে আছেন তা-ই নয় বরং অলৌকিকভাবে নবীজির খেলাফত প্রাপ্ত। তিনি হলেন খলিফায়ে রাসুল (দ.) হযরত গাউছুল আজম (রাঃ)। যিনি মানুষকে গোমরাহির অন্ধকার থেকে হেদায়তের পথে ফিরিয়ে আনতে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। যাঁর প্রতিষ্ঠিত রাসুলনোমা তরিক্বতের মাধ্যমে মোরাকাবা , তাহাজ্জুদ , জিকিরুল্লাহ আদায়ের পাশাপাশি দৈনিক হাজার বার দরুদে মোস্তফা (দ.) পাঠের তালিম দেন। ফয়েজে কুরআনের মাধ্যমে নূরে কুরআন বিতরণ , তাওয়াজ্জুর মাধ্যমে নূরে মোস্তফা প্রদান করে রুহানিয়্যতের বিকাশ ঘটিয়েছেন। বর্তমানে তাঁরই একমাত্র খলিফা মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব এই মহান দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। পথভ্রষ্ট মানুষদের পুনরায় আল্লাহর রাস্তায় ফিরিয়ে আনছেন। রাসুলুল্লাহ (দ.) এর আদর্শে জীবন গড়ার তাগিদ দিচ্ছেন। নবীজিকে প্রাণাধিক ভালোবাসার শিক্ষা দিয়ে প্রকৃত আশেকে রাসুলে পরিণত করছেন। মাশাআল্লাহ।
পরিশেষে দেশ-জাতির উন্নতি-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় মিলাদ-কিয়াম শেষে মোনাজাত করা হয়।