২০২৩ সালের শুরুতে দুর্ঘটনা কমলেও মে মাসে সড়কপথে আবারো ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৫০০টি। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৬৩১ জন এবং আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৩৬ জন।
বুধবার (৭ জুন) সেভ দ্য রোডের মহাসচিব শান্তা ফারজানার পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশের ২২টি জাতীয় দৈনিক, ২০টি টেলিভিশন, আঞ্চলিক ও স্থানীয় ৮৮টি নিউজ পোর্টাল, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী এবং সেভ দ্য রোডের স্বেচ্ছাসেবীদের তথ্যানুসারে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ১ হাজার ৬২ টি মোটর বাইক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ১ হাজার ১৮৭ জন, নিহত হয়েছেন ৫০ জন। ১ হাজার ৪৯৬ টি ট্রাক দুর্ঘটনায় আহত ১ হাজার ৭৫২ এবং নিহত হয়েছেন ৬২ জন।
নির্ধারিত গতিসীমা না মেনে, পরিবহন মালিকদের উদাসিনতা ও সতর্কতা অবলম্বন না করায় বিশ্রাম না নিয়ে টানা ১২ থেকে ২০ ঘণ্টা বাহন চালনোসহ বিভিন্ন নিয়ম না মানায় ১ হাজার ৬০৫ টি বাস দুর্ঘটনায় আহত ১ হাজার ৮৫৩ এবং নিহত হয়েছেন ২৬৩ জন।
দায়িত্বে অবহেলা, স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের দুর্নীতিসহ বিভিন্নভাবে সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ বাহন নাসিমন-করিমন এবং অন্যান্য ৩ চাকার বিভিন্ন ধরণের বাহনে ১ হাজার ৩৩৭ টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ১ হাজার ৭৪৪ এবং নিহত হয়েছেন ২৫৬ জন।
আকাশ-সড়ক- রেল ও নৌপথ দুর্ঘটনামুক্ত করার জন্য নিবেদিত দেশের একমাত্র সচেতনতা-গবেষণা ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সেভ দ্য রোড-এর পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়- ১ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত নৌপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫২ টি। আহত হয়েছে ৯৭ জন, নিহত হয়েছে ১১ জন। রেলপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪১ টি। আহত হয়েছে ৫৮। নিহত হয়েছে ২১ জন। আকাশপথে কোন দুর্ঘটনা না ঘটলেও বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা. দায়িত্বে অবহেলা আর উদাসিনতার কারণে প্রতিনিয়ত প্রবাসীদেরকে সহ্য করতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
উল্লেখ্য, ‘সেভ দ্য রোড-এর অঙ্গীকার পথ দূর্ঘটনা থাকবে না আর’ বাক্যটিকে লালন রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে ২০০৭ সালে পথচলা শুরু করে আকাশ-সড়ক- রেল ও নৌপথ দুর্ঘটনামুক্ত করার জন্য নিবেদিত দেশের একমাত্র সচেতনতা-গবেষণা ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সেভ দ্য রোড।
এমএফ