মিরসরাইয়ে আযান প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ

মিরসরাই উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে আযান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জুন) সকালে উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংষ্কৃতিক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-মাদরাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মডেল মসজিদ পরিচালনা কমিটির মাহফুজা জেরিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মডেল মসজিদ পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন।

আলোচনা সভা শেষে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা আরিফুল ইসলাম।

সবশেষে ক, খ, গ ও ঘ বিভাগে প্রতিযোগিতায় ১২ জন বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট, সনদপত্র, জায়নামাজ, টুপি, আতর, তজবী, মেসওয়াক, মগ ও ডায়েরী তুলে দেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত আযানের মাধ্যমে নামাজের প্রতি আহবান করা হয়। শতব্যস্ততার মাঝেও আমরা আযান শুনার সাথে সাথে মসজিদের দিকে ছুটে যাই। আযানের এতো সম্মান ভিন্ন ধর্মালম্বীরাও মুসলমানদের আযানের সময় তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় মাইক বন্ধ রাখেন। সময়ের ব্যবধানে প্রতিমূহুর্তে সারাপৃথিবীতে আযান হচ্ছে। পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু পবিত্র কাবা শরীফে এক মূহুর্তের জন্যও তাওয়াফ যেমন বন্ধ থাকেনা ঠিক তেমনি সারাপৃথিবীতে এক মুহুর্তের জন্য আযান বন্ধ থাকেনা। এই ধরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের জন্য আয়োজক কমিটি এবং যারা সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন বলেন, একজন মুসলিম হিসেবে জন্মগ্রহনের সাথে সাথে আযানের মাধ্যমে তার ধর্মীয় পরিচয় ফুটে উঠে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষকে তার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। প্রতিদিন ৫ওয়াক্ত নামাজের জন্য মুয়াজ্জিন আযানের মাধ্যমে নামাজের জন্য আহবান করে থাকেন। আযানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। আমরা উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামীক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মাধ্যমে শুদ্ধ উচ্চারণে আযান দেওয়ার জন্য অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি।