জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ৯৬। তবে সেটাই টপকাতে পারল না বাংলাদেশ। ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে কেবল ব্যতিক্রম ছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। কিন্তু তার একার লড়াইও কাজে লাগল না। ৮ রানে হেরে টি-টোয়েন্টি সিরিজটি হাতছাড়া করল মেয়েরা। আগে ব্যাট করতে নামা ভারতকে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯৫ রানে আটকে রাখে বাংলাদেশ। জবাবে ৮৭ রানে গুটিয়ে যায় জ্যোতির দল।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চার মেরে ইনিংসের সূচনা করেন শামিমা সুলতানা। পঞ্চম বলে আরও একটি বাউন্ডারি হাঁকান সাথী রানী। প্রথম ওভারে আসে ১০ রান। তবে দ্বিতীয় ওভারে এলোমেলো হয়ে যায় বাংলাদেশ। মিন্নু মানি শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন শামিমা। পরের ওভারে রানীকে বিদায় করেন দিপ্তি শর্মা।
দুই ব্যাটার ফিরে যাবার পর হাল ধরার চেষ্টা করেন মুর্শিদা খাতুন ও নিগার সুলতানা। কিন্তু সোবহানা মোস্তারির কনকাশন হিসেবে নেমে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি মুর্শিদা। এর কিছুক্ষণ পর দলীয় ৩০ রানে ফেরেন রিতু মনিও।
তবে বাকিদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালাতে থাকেন নিগার সুলতানা। তবে দলীয় ৬৪ রানে স্বর্ণা আক্তারকে বিদায় করেন দিপ্তি শর্মা। এরপর ম্যাচ আস্তে আস্তে ভারতের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
শেষ ২৪ বলে জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৭ রান। দেখে শুনে খেলে দলকে ৮০’র ঘরে নিয়ে যান জ্যোতি। শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন দাঁড়ায় ১৪ রান। কিন্তু ১৯তম ওভারের শেষ বলে স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন জ্যোতি।
৩৮ রান করে বাংলাদেশ অধিনায়ক ফিরে গেলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন দাঁড়ায় ১০ রান। কিন্তু সেফালির প্রথম দুই বলে দুই ব্যাটার বিদায় নিলে বাংলাদেশের জয়ের সমীকরণ পাল্টে যায়।
শেষ ৩ বলে প্রয়োজন হয় ৯ রান। এর প্রথম বলে দিপ্তিকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ফাহিমা খাতুন। ওভারের শেষ বলে শেষ উইকেটটিও তুলে নিয়ে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন দিপ্তি। শেফালি ও দিপ্তি ৩টি করে এবং মিন্নু মানি ২টি উইকেট নেন।
এর আগে বোলিং-ফিল্ডিংয়ের দুর্দান্ত মহড়া দেখিয়ে ভারতের মেয়েদের একশ রানের আগেই আটকে ফেলে বাংলাদেশের মেয়েরা। মিরপুরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে আগে ব্যাটিং করে ভারতের ইনিংস থামে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৯৫ রান নিতে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন শেফালী । বাংলাদেশের হয়ে সুলতানা ৩টি এবং ফাহিমা নেন ২টি উইকেট।