ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারল যুবারা

বাংলাদেশ-সাউথ আফ্রিকা সিরিজ

২৯ ওভারে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের লক্ষ্য ১৬৩, তবে ৮১ রান তুলতেই ৭ উইকেট নেই টাইগার যুবাদের।  সাউথ আফ্রিকার কিনা মাফাকা ও লিয়াম অ্যাল্ডারদের দারুণ বোলিংয়ে বাংলাদেশের হার তখন কেবলই সময়ের ব্যাপার।  এমন সময়ে বাংলাদেশের যুবাদের খানিকটা আশার আলো দেখান রাফি উজ্জামান।  যদিও দুই চার ও এক ছক্কায় রাফির খেলা অপরাজিত ৩৭ রানের ইনিংস স্বাগতিকদের হার এড়াতে পারেনি।  ৩ বল বাকি থাকতে বাংলাদেশের যুবারা অল আউট হয় ১৫২ রানে।

তাতে রিজার্ভ ডে গড়ানো ম্যাচে বৃষ্টি-আইনে স্বাগতিকদের ১০ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে গেল সাউথ আফ্রিকা।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে শুক্রবার (৭ জুলাই) ব্যাটিংয়ে নেমে ২৯ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান তোলে সাউথ আফ্রিকা।  তবে বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬৩ রান। এমন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

মাফাকার বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে রানের খাতা খোলার আগেই ফেরেন আশিকুর রহমান শিবলি।  আরেক ওপেনার চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪ রানের বেশি করতে পারেননি।  চারে নামা আরিফুল ইসলামের ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৫ রান।  সুবিধা করতে পারেননি আহরার আমিনও। বাংলাদেশের অধিনায়ক সাজঘরে ফিরেছেন ৬ রান করে।

পাওয়ার প্লেতে ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে খানিকটা আশার আলো দেখিয়েছিলেন আদিল বিন সিদ্দিক।  ২৪ রান করা এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে প্রোটিয়াদের বিপদ মুক্ত করেন অ্যাল্ডার।  দারুণ ব্যাটিং করা শিহাব জেমসকেও ফেরান তিনি।  ডানহাতি এই ব্যাটার আউট হয়েছেন ২৯ রান।  মাহফুজুর রহমান রাব্বি ফিরলে ৮১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।  সেখান থেকে অপরাজিত ৩৭ রান করে খানিকটা আশা দেখিয়েছিলেন রাফি।

তবে শেষ পর্যন্ত দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। সাউথ আফ্রিকার হয়ে মাফাকা চারটি আর অ্যাল্ডার নিয়েছেন তিনটি উইকেট।

সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে ৯ ও ১১ জুলাই খুলনার শেখ আবু আবু নাসের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। আর শেষ দু’টি ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীতে, ১৪ ও ১৭ জুলাই।