ভারি বর্ষণে আবারও পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরীর নিম্নাঞ্চল। পাহাড় ধসে মৃত্যু হয়েছে বাবা-মেয়ের। নালায় পড়ে নিখোঁজ রয়েছে এক শিশু। নিম্নাঞ্চল পানিতে ডুবে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এক ঘণ্টা দেরিতে ১১টায় শুরু হয়। সড়ক ও অলি গলিতে পানি উঠায় বিপাকে পড়েন এইচএসসি পরীক্ষার্থী, চাকুরিজীবীসহ চলাচলকারীরা। এ নিয়ে চলতি বছরে সাত মাসে ১১ বার ডুবল দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত চট্টগ্রাম নগর।
মো. জিয়াউল করিম একজন চা দোকানি। কক্সবাজেরর চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা করিম দীর্ঘ তিন বছর ধরে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট নতুন চান্দগাঁও থানার মোড় এলাকায় টংয়ের দোকানে চা বিক্রি করতো। গত কয়েক মাস আগে থেকে দৈনিক চারশো টাকায় একটা দোকান ভাড়া নিয়ে চা বিক্রি করে কোনরকম চলছিল। গতকাল শনিবার দোকান হাঁটু পানিতে ডুবে থাকায় দোকান খুলতে পারিনি। মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে সড়কের এক পাশে। জানতে চাইলে দেশ বর্তমানকে তিনি বলেন, শধু আজ (রবিবার) নয় এর আগেও বেশ কয়েকবার পানির জন্য দোকান খুলতে পারিনি, কিন্তু ঠিকই দোকানওয়ালাকে ভাড়া দিতে হবে। এত বেশী বেচা-কেনা নেই, কোন রকম চলে। পানি উঠায় দোকান খুলতে পারছি না। গরীবরা চারিদিকে অসহায় বলেও মন্তব্য করেন এই চা দোকানি।
করিমের মতো আরেক ভুক্তভোগী মো. লুৎফুল আজম। একই এলাকায় তার বাস কাউন্টারটিও ডুবে আছে। ফলে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করতে পারছেন না কোনো টিকেট। জানতে চাইলে হতাশ হয়ে দৈনিক দেশ বর্তমানকে বলেন, মেয়রের এলাকায় বসবাস করি কিন্তু অল্প বৃষ্টিতে দোকানে পানি উঠে যায়, শুধু এই বার নয় যতবার বৃষ্টি হয়েছে ততবারই এমন অবস্থা হয়েছে। তিনি দুঃখ করে বলেন, বর্ষা মানেই আমাদের ব্যবসায় লালবাতি।
বাড়াইপাড়া হাজী রমজান আলী মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা হায়দার দৈনিক দেশবর্তমানকে জানান, মসজিদে যেতে হয়েছে এক কোমর পানি ডিঙ্গিয়ে। সামান্য বৃষ্টি যেন বাড়ইপাড়া এলাকাবাসীর দুঃখ। পানিতে ডুবে থাকার কারণে ঐ পথে একটা দুটো রিকশা ছাড়া কোন যানবাহন চলছে না। বেশিরভাগ দোকান-পাট বন্ধ। চরম দুর্ভোগে আছেন বলেও জানান তিনি।
আগ্রাবাদ এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শরীফ জানান, বাসার সামনের গলিতে পানি উঠায় সিঙ্গাপুর-ব্যাংকক মার্কেটের দোকানে যেতে পারিনি। বৃষ্টি হলেই গলিতে পানি উঠে। বৃষ্টির জন্য ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ। পানি উঠায় দুর্ভোগে আছেন বলেও জানান তিনি।
এইতো গেলো মাত্র চারজনের ভোগান্তির কথা। এভাবে বৃষ্টিতে ডুবে থাকা বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, শুলকবহর, চান্দগাঁওয়ের শমসের পাড়া, ফরিদার পাড়া, বাড়াই পাড়া, পাঠাইন্যাগোদা, মোহাম্মদপুর, মুন্সীপুকুর পাড়, কাপাসগোলা, চকবাজার, বাকলিয়া, হালিশহর, আগ্রাবাদ সিডিএ, শান্তিবাগ আবাসিক এলাকা, ছোটপোলসহ বিভিন্ন এলাকার বেশিরভাগ সড়ক ও অলিগলি পানিবন্দি হয়ে ভোগান্তিতে প্রায় লাখো মানুষ।
সড়কে কোথাও কোথাও হাঁটুু থেকে কোমরপানি জমে থাকায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। অনেক অটোরিকশার ইঞ্জিনে পানি ঢুুকে বিকল হতেও দেখা যায়। পানি মাড়িয়ে প্যাডেলচালিত রিকশায় চড়ে গন্তব্য পোঁছাতে কয়েক গুণ বাড়তি ভাড়া দিতে হয় বেশীরভাগ চলাচলকারীকে।
পাহাড় ধসে বাবা-মেয়ের মৃত্যু, নালায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
এদিকে গতকাল রোববার সকালে ভারি বর্ষণে নগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকার ষোলশহরে পাহাড় ধসে মো. সোহেল ও তার ৭ মাস বয়সী কন্যা বিবি জান্নাতের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে নগরীর আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে রাজাপুকুর লেইন এলাকায়ও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণহানি ও বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানান এলাকার বাসিন্দা প্রবীর নাথ।
একইদিন বিকালে ডবলমুরিং এলাকায় নালায় পড়ে ইয়াছিন আরাফাত নামে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার মরদেহ একদিন পর (সোমবার) উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের নন্দীরহাট ও বড়দিঘীর পাড় এলাকায় সড়ক ডুবে যায়। এত যান চলাচল করতে না পারায় সড়কের উভয় প্রান্তে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। অনেক অফিসগামী যাত্রী পায়ে হেঁটে হাঁটু পানি মাড়িয়ে নৌকা নিয়ে গন্তব্যে যায় বলে জানা যায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। চট্টগ্রামে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ মেঘলা থেকে সাময়িক মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সেই সাথে অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
গতকাল রোববার পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৮৩.৯ মিলিমিটার। চট্টগ্রাম ও আশ-পাশের এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির ফলে পাহাড় ধসের শঙ্কা রয়েছে। চট্টগ্রামে অব্যাহত থাকতে পারে বৃষ্টি। চট্টগ্রাম নদী বন্দরে এক নম্বর নৌ-সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
জলাবদ্ধতার বিষয় নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম দৈনিক দেশ বর্তমানকে বলেন, তিনটি প্রাণ ঝড়ে যাওয়া খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। পাহাড় ধসের ঘটনায় আমিসহ সিটি করপোরেশনের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাস্থলে রেলের জায়গাটিতে অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে, ওখানে রেলের আরো সতর্ক থাকা দরকার ছিল। পাশাপাশি ঝুঁকিতে থাকা বাকীদের আমরা আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে এসেছি। অন্যদিকে নালায় পড়ে শিশুর মৃত্যুটিও খুবই দুঃখজনক। আমরা এ বিষয়টি খবর রাখছি। আগামীতে যাতে এ ধরণের দুর্ঘটনা না ঘটে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ করবো।
জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নগরী ডুবে থাকার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্যে করা উচিত নয় জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা নগরীর প্রতিদিন ২১শ টন বর্জ্যের মধ্যে প্রায় ৭৮ভাগ বর্জ্যে সংগ্রহ করি। খালগুলো যাতে পরিষ্কার থাকে সেই জন্য সিটি করপোরেশেন সবসময় সজাগ আছে এবং কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতে দুর্ভোগ কমে আসবেন বলেও জানান করপোরেশেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, ১১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও পানি উন্নয়নবোর্ড চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। গত ৬ বছরে ৫ হাজার ৭শ ৯০ কোটি টাকা ব্যয় হলেও জলাবদ্ধতা থেকে আশানুরূপ সুফল পায়নি নগরবাসী। জোয়ারের পানি ঠেকাতে বিভিন্ন খালের মুখে ৪০টি জল কপাটের (স্লুইচ গেট) মধ্যে ৫টির কাজ শেষ হলেও অসমাপ্ত রয়েছে ৩৫টির। প্রকল্প বাস্তবায়নে তিন সংস্থার সমন্বয়হীনতার বার বার প্রশ্ন উঠায় কারনে, গত ১১ আগস্ট চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সমন্বয় সভায় চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ সব উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল যেন জনগণ পায় সেজন্য সবাইকে সমন্বয় করে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
অতিবৃষ্টিতে শাটল ট্রেন বন্ধ, চবির ২৪ পরীক্ষা স্থগিত
চবি প্রতিনিধি জানান, অতিবৃষ্টির কারণে শাটল ট্রেনসহ অন্যান্য যান চলাচল বন্ধ থাকায় রোববার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২৪টি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গেছে, এদিন অতি বৃষ্টির কারণে পানিতে ডুবে গেছে চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ স্টেশন। ফলে শহর থেকে কোনো শাটল ট্রেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়নি।
অন্যদিকে বৃষ্টিপাতে হাটহাজারীর নন্দীরহাট এলাকা প্লাবিত হওয়ায় চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়কে যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এতে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে দুর্ভোগে পড়েন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। শনিবার রাত থেকে অতি বৃষ্টির কারণে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সার্বিক বিবেচনায় আজ (রোববার) বিশ্ববিদ্যলয়ের ২২টি বিভাগের ২৪টি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
অনুষদ সূত্রে জানা যায়, ইতিহাস, দর্শন, নৃবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান, রসায়ন, সমুদ্রবিজ্ঞান, পালি, ইসলামিক স্টাডিজ, ইংরেজি, সংষ্কৃত, শিক্ষা ও গবেষণা, আরবি, মার্কেটিং, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, মনোবিজ্ঞান, অ্যাকাউন্টিং, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স, ফাইন্যান্স, উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং পদার্থবিদ্যা বিভাগের আজকের পরীক্ষাগুলো আজ স্থগিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে চারুকলা, ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জয়নাল আবেদিন জানান, ‘অতিবৃষ্টির কারণে শাটল চলাচল বন্ধ রয়েছে। নগরীর বটতলী রেল স্টেশন থেকে কোন শাটল ট্রেন ছেড়ে যায়নি। কখন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।’
চট্টগ্রাম বোর্ডে পরীক্ষা দেয়নি ৪৪৫ জন
দশ দিন পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ছিলেন ৪৪৫ শিক্ষার্থী। গতকাল রোববার এ বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ন চন্দ্র নাথ জানান, আইসিটি কোর্সে উপস্থিতির হার ৯৯ শতাংশের বেশি। মোট ৯২ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪৫ জন অনুপস্থিত ছিলেন।
সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজি প্রথম পত্র, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে হিসাববিজ্ঞান নীতি ও প্রয়োগ-২, ব্যাংকিং ও বীমা, অর্থনীতি এবং রসায়ন বিজ্ঞান-২ পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রামে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৬ হাজার ১২৬ জন, এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ২৯৯ জন। কক্সবাজারে ১১ হাজার ৭০৩ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৭৩ জন, রাঙামাটিতে ৪ হাজার ৭২১ জনের মধ্যে ২০ জন। খাগড়াছড়িতে ৬ হাজার ৬৯ জনের মধ্যে ৩৮ জন এবং বান্দরবানে ৩ হাজার ৪৩৭ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ১৫ জন।
গত ১৭ অগাস্ট দেশের আট বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও চট্টগ্রাম বিভাগে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে চট্টগ্রাম, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১০ দিন পিছিয়ে যায়। বৃষ্টি-বন্যার কারণে পেছানো পরীক্ষার প্রথম দিনও বৃষ্টির কারণে ২৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হয় এক ঘণ্টা দেরিতে। ২০২২ সালে বন্যার কারণে পরীক্ষা আরও পিছিয়ে গিয়েছিল। নভেম্বরে হয়েছিল সেই পরীক্ষা। এবার পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে জুলাইয়ে পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত হলেও তা পিছিয়ে যায় সিলেবাস শেষ না হওয়ার কারণে। ২০১০ সাল থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এসএসসি এবং এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে আসছিল।
তবে তাতে বাদ সাধে কোভিড মহামারী। এ কারণে এক বছর পরীক্ষা না নিয়েই শিক্ষার্থীদের সনদ দেওয়া হয়। এরপর ২০২১ ও ২০২২ সালে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে। করোনাভাইরাস মহামারীর পর এবারই পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ১০০ নম্বরের প্রশ্নে তিন ঘণ্টায় সব পরীক্ষা হলেও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা হয়েছে ৭৫ নম্বরে এবং ২ ঘণ্টা ২৫ মিনিটে।
দেশ বর্তমান/এআই