বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে বাংলাদেশের ৫/১৭৫

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক চার দিনের ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই বৃষ্টির হানা।  যার ফলে নির্ধারিত সময়ে টস হয়নি।  কিছুটা বিলম্বে টস হলেও ভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের।  এরপর শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমেও ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেননি স্বাগতিক ব্যাটাররা।  জাকির-নাইমদের ব্যর্থতার দিনে খেলা হয়েছে মাত্র ৪৯ ওভার।  আলোর স্বল্পতায় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান করেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

মঙ্গলবার (২৩ মে) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের গ্রাউন্ড টু’য়ে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারান ওপেনার জাকির হাসান।  ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করে ১৩ বলে ১৮ করা জাকির ফিরলে ভাঙে ২২ রানের উদ্বোধনী জুটি।

ক্যারিবীয় পেসারদের সামনে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম।  কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ইনিংসের ১১.৫ ওভারে জেয়ার ম্যাকঅ্যালিস্টারের বাউন্স এসে আঘাত করে সাদমানের বাঁহাতের কনুইয়ে।  ব্যথায় কাতরাতে থাকা সাদমানের পক্ষে আর ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।  ব্যক্তিগত ১১ রানে তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন।

তিনে নামা সাইফ হাসান আউট হন ৩১ করে।  ঘরোয়া লিগ ডিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মোহাম্মদ নাইম শেখ এদিন পাঁচ রান করতেই নিয়েছেন বিদায়।  দ্রুত টপ অর্ডার হারানোর পর শাহাদত হোসেন দিপুকে নিয়ে পালটা লড়াই চালান অধিনায়ক আফিফ হোসেন ধ্রুব।  এই দুইয়ের ব্যাট থেকে আসে ৫০ রানের জুটি।

ওয়ানডে স্টাইলে খেলতে থাকা আফিফও ক্রিজে থাকতে পারেননি বেশিক্ষণ।  আকিম জর্ডানের নিচু লেন্থে আসা বলে পড়েন লেগ বিফোরের ফাঁদে।  ৩৪ বলে খেলা তার ৩৭ রানের ইনিংসে সাজানো ছিল ৭ বাউন্ডারিতে।  এরপর দিপুকে সঙ্গ দিতে আসেন উইকেটকিপার ব্যাটার হিসেবে ডাক পাওয়া ইরফান শুক্কুর।  দিপু-ইরফানের ব্যাটে ভালোভাবেই দিনের খেলা শেষের পথে এগিয়ে যাচ্ছিলো বাংলাদেশ।

কিন্তু শেষ বিকেলে অ্যান্ডারসন ফিলিপের লাফিয়ে উঠা বল বোঝার আগেই ক্যাচ আউট হন ইরফান শুক্কুর।  তার ২১ রানের ইনিংস আসে ৩৩ বল থেকে।  এরপর নাইম হাসানকে নিয়ে দিনের শেষটা করেন শাহাদত হোসেন দিপু।  নাইম অপরাজিত থাকেন ১২ রানে।  ৭৭ বল খেলে ফেলা দিপুর সংগ্রহে ২৮ রান।