মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে সভা মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিজয় দিবস উদযাপনে ১১টি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
সিদ্ধান্তগুলো হলো-
১. রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সড়কপথে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে গমন ও প্রত্যাবর্তনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিন্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা যাতে নির্বিঘ্নে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করতে পারে, সে ব্যবস্থা গ্রহণ।
২. বাংলাদেশে বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গমণাগমনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৩. পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সকল স্থানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ।
৪. ঢাকা থেকে সাভার স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত রাস্তায় তোরণ নির্মাণ সীমিত রাখা এবং ওভারহেড তোরণ নির্মাণ না করা। রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সজ্জিতকরণ।
৫. মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে মেট্রোপলিটন এলাকা, জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে নিরাপত্তা রক্ষায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
৬. বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে পূর্বেই স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা।
৭. এ দিন জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
৮. সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও সম্মিলিত বাহিনীর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানসহ প্রয়োজনীয় স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অ্যাম্বুলেন্স, উদ্ধার সরঞ্জাম ও অগ্নি নির্বাপন গাড়ি রাখা।
৯. ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম গ্রহণ। সারাদেশে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার।
১০. কোভিড-১৯ প্রতিরোধে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানস্থলে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ। মাস্ক পরিধান করে অনুষ্ঠানে যেতে হবে।
১১. সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে ও প্রয়োজনবোধে অন্যান্য অনুষ্ঠানে প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা রাখা।