মাদকপাচার, সীমান্ত নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ের দুই দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে কক্সবাজারে টেকনাফের সেন্ট্রাল রিসোর্টে সীমান্ত সম্মেলন শেষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে দুই দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত ঐকমত্যের বিষয় তুলে ধরে বিজিবির কক্সবাজার বিভাগীয় কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজম-উস-সাকিব বলেন, দুই দিনের সীমান্ত সম্মেলনে মাদক পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ, আন্ত: রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ, সীমান্ত নিরাপত্তা, তথ্য বিনিময়, সমন্বিত টহল, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী এসব বিষয়ে একমত হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ সময় মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হেটেট লুইন কমান্ডারসহ ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল, বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (২৪ মে) সকালে মিয়ানমারের ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে পৌঁছায়। সেখান থেকে তারা বৈঠকে যোগ দেন। বাংলাদেশ থেকে কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসম-উস সাকিবের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়।
গত বছরের জুনে মিয়ানমারের মংডুতে রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হয়। এবার সেই বৈঠক টেকনাফে হলো এ ছাড়া গত বছরের ৩০ অক্টোবর টেকনাফে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে দুই বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছিল।