রাজধানীর নয়াপল্টনে শুরু হয়েছে বিএমপির মহাসমাবেশ। সমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, তারা মোবাইল এবং ইন্টারনেট (টুজি ও থ্রিজি) কানেকশন পাচ্ছেন না। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রচার কিংবা শেয়ার করতে পারছেন না। এমনকি আত্মীয় স্বজন কিংবা সহকর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছেন না।
বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নয়াপল্টনে দুপুর ১২টা থেকেই মোবাইলে থ্রি-জি ও ফোর-জি সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। তবে, সাড়ে ১২টার পর মোবাইলের ইন্টারনেটের সিগন্যাল একেবারেই পাওয়া যাচ্ছিল না।
গণমাধ্যমকর্মীরাও মুঠোফোনে ইন্টারনেট পাচ্ছেন না বলে জানান। ইন্টারনেট না থাকায় তারা সমাবেশের ভিডিও চিত্র কার্যালয়ে পাঠাতে পারছেন না। ফলে বিকল্প হিসেবে মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে পাঠানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিটিআরসির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
তবে এর আগে বিটিআরসি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, কোনো স্থানে বেশি মানুষ জড়ো হলে মোবাইল ভয়েস ও ডেটা পরিষেবার গতি ধীর হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে নয়াপল্টনে বেলা দুইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় বিএনপির মহাসমাবেশ। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা ছয়দলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চসহ ৩৭টি দলও আজ একই দাবিতে পৃথকভাবে সমাবেশ করছে।
এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বিএনপিকে তাদের পছন্দের জায়গায় ২৩ শর্তে সমাবেশের অনুমতি দেয় ডিএমপি। সমাবেশের অনুমতি দেওয়ায় ডিএমপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, মহাসমাবেশের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ডিএমপির ইতিবাচক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আশা করি তারা বিএনপির মহাসমাবেশের নিরাপত্তা বিধানে যথাযথ সহযোগিতা করবেন। সমাবেশে আসার পথে জনগণ ও বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে কোনো প্রকার বাধা প্রদান করা হবে না।
ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, সমাবেশে লাঠিসোঁটা, কোনো ব্যাগ বহন করা যাবে না। রাষ্ট্রদ্রোহ কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। কোনো কুচক্রীমহল যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সেজন্য পুলিশের পাশাপাশি সমাবেশ এলাকায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
এমএইচএফ