সৌদি আরবের হজ ও ওমরাবিষয়ক উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ সুলাইমান মাশাত বাংলাদেশি হজযাত্রীদের প্রশংসা করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পবিত্র হজ পালনে আসা সকল হজযাত্রীদের জন্য সুন্দরভাবে হজ পালনের ব্যবস্থাপনা করা রাজকীয় সৌদি সরকারের জন্য অত্যন্ত সম্মানের বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী দেশটির হজ ও ওমরাবিষয়ক উপমন্ত্রীর সঙ্গে মক্কায় তার অফিসে সাক্ষাৎকালে ড. আব্দুল ফাত্তাহ সুলাইমান মাশাত এ মন্তব্য করেন।
এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ বছর হজের সুব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ থেকে সব হাজি ‘মক্কা রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় হজ যাত্রার শুরুতেই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সুসম্পন্ন করায় তাদের হজ যাত্রা সহজ হয়েছে বলে তিনি জানান।
রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বাংলাদেশ থেকে আগত হাজীদের পরিবহনের জন্য বিমানের আরও ১০টি ফ্লাইটের অনুমতি চাইলে উপমন্ত্রী তা বিবেচনার আশ্বাস দেন। উপমন্ত্রী ভবিষ্যতে হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করার জন্য সৌদি সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, হজযাত্রী প্রেরণকারী দেশ সমূহের হজ এজেন্সির সংখ্যা সীমিত হলে হজ ব্যবস্থাপনা আরও সহজতর হবে এবং হাজিদের দূর্ভোগ লাঘব করা সম্ভবপর হবে। তিনি এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রাষ্ট্রদূত জাবেদ পাটোয়ারী তা সুবিবেচনার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করা হবে মর্মে জানান। এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২২ হাজারের অধিক মানুষ পবিত্র হজ পালন করবেন।
পরে রাষ্ট্রদূত দক্ষিণ এশিয়ার হাজিদের সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ‘আল বাইত গেস্টস’এর ভাইস প্রেসিডেন্ট উসামা দানেশের সঙ্গে মক্কাস্থ তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে মিনা, আরাফার ময়দান ও মুজদালিফাতে বাংলাদেশি হাজিদের জন্য গৃহীত ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ও কাজের অগ্রগতির খোঁজখবর নেন। অগ্রগতি পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রদূত আল বাইত গেস্টসের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মতিউল ইসলাম, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।