বাঁশখালীতে ১৬ মামলার পলাতক আসামী অস্ত্রসহ গ্রেফতার

বাঁশখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮ মামলার পলাতক আসামী আহমদ কবির (৩৬) প্রকাশ সোনা মানিক গ্রেফতার হয়েছে।

সোনা মানিক উপজেলার ছনুয়া ৩ নং ওয়ার্ড মধুখালী হাজী আলী মিয়ার পাড়া নিবাসী মৃত ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ কালা মিয়া ডাকাত এর পুত্র। ছনুয়া এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক সোনা মানিকের কাছ থেকে একটি বিদেশী রিভলবার, চার রাউন্ড গুলি, দুইটি গুলির খোঁসা, দুইটি দেশীয় তৈরি এলজি, চার রাউন্ড কার্তুজ, নয় রাউন্ড কার্তুজের খোঁসা, একটি সুইচ গিয়ার এবং একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।

বাঁশখালী থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সোনা মানিক র্দীঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মাঝে স্বর্ণের পাতিল স্বপ্নে পেয়েছে বলে খাঁটি সোনা দেখিয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে প্রতারণামূলক ভাবে বড় অংকের টাকা আত্মসাৎ করার পরিকল্পনায় অস্ত্রের মুখে আটক করে মারধর করে অস্ত্র হাতে দিয়ে ছবি তুলে মুক্তিপন আদায় করে। তার প্রতারনার স্বীকার হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়েছে।

বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ তোফায়েল আহমেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে এসআই(নি:) আহসান হাবীব সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীর নির্মানাধীন ভবনে অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত অস্ত্র গুলিসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার এড়াতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি বষর্ণ করে ডাকাত সোনামানিক এবং তাহার সহযোগীরা। পুলিশ নিজের জান সরকারী সম্পত্তি রক্ষার্থে ফাঁকা গুলি করে। একপর্যায়ে আসামী আহমদ কবির (সোনা মানিক) ভবনের দ্বিতল হতে লাফিয়ে পালাতে গিয়ে নির্মান সামগ্রীতে আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হয়।

বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযানে এস.আই(নি:) আহসান হাবীবসহ ০৭জন পুলিশ সদস্য আহত হয়।তম্মধ্যে ০২ জন কনস্টেবল আশংঙ্খাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই সংক্রান্তে বাঁশখালী থানায় আসামীর বিপক্ষে ০১টি অস্ত্র মামলা এবং ০১টি পুলিশ আক্রান্তের মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীর বিরুদ্ধে আরো ১৬টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।