বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলো অমূল্য সম্পদ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ।  ৫০ বছরে আমাদের যে প্রজন্ম বা তার পরবর্তী প্রজন্ম, প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই ভাষণগুলো জানা, তাতে বাংলাদেশটাকে বোঝা, মানুষের মানুষের অবস্থাটা জানা, তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নতি, সবকিছু জানার একটা সুযোগ পাবে।  বাংলাদেশটা কীভাবে চলবে সেই দিক-নির্দেশনা তিনি তার ভাষণে দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, সেই সংসদ অধিবেশনে (স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে) তিনি যে ভাষণগুলো দিয়েছেন, পরবর্তীতে সব ভাষণগুলোকে একটা জায়গায় নিয়ে আসা, যেটা আমি মনে করি আমরা যারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসি, এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) একাদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির দ্বাদশ বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।  এসময়  জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘সংসদে বঙ্গবন্ধু ও ‘মুজিববর্ষ বিশেষ অধিবেশন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা।  কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭০ এর নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জয়ের পর ক্ষমতা না দেওয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ এ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা অর্জিত হয়।  স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই বঙ্গবন্ধু জাতিকে উপহার দেন সংবিধান।  এরপর ৭ মার্চ ১৯৭৩ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান-এটা বিশ্বে বিরল।

বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, আমির হোসেন আমু, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ওবায়দুল কাদের, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, ডেপুটি স্পীকার মো. শামসুল হক টুকু, আনিসুল হক, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী।

বৈঠকে একাদশ জাতীয় সংসদের ২২তম এবং মহান জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়।  বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়ে ৯ এপ্রিল ২০২৩ পর্যন্ত চলবে মর্মে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।  ৭ এপ্রিল বিকেল ৩টায় এবং ৮ ও ৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় অধিবেশন শুরু হবে।

জানা গেছে,  এ অধিবেশনে মহান জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৭ এপ্রিল বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে স্মারক বক্তৃতা দেবেন।