প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেই বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলল স্প্যানিশরা। গোল শোধে মরিয়া ইংল্যান্ড একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি । ওলগা কারামোনার একমাত্র গোলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ নিজদের করে নিলো স্পেন।
রোববার (২০ আগস্ট) সিডনিতে ফিফা নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ম্যাচের ২৯ মিনিটে ওলগা কারামোনার গোলে এগিয়ে যায় স্পেন, সেই গোলই তাদের এনে দিল প্রত্যাশিত শিরোপা।
এর আগে, সেমিফাইনালে বুধবার (১৬ আগস্ট) আয়োজক দেশ অস্ট্রেলিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে ইংলিশ ললনারা। আগের দিন মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) নাটকীয় সেমিফাইনালে সুইডেনকে কাঁদিয়ে ২-১ গোলের জয় পেয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে স্পেনের নারী ফুটবল দল।
নারী বিশ্বকাপের এবারের আসরে ফাইনালে নাম লেখানো স্পেন ও ইংল্যান্ড যারা কিনা আগে কখনও বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেনি।
রোববার, নারী বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই তৃতীয় কোনো ফাইনাল অনুষ্ঠিত হল, যেখানে দু’দলই ইউরোপের।
এদিন, সিডনিতে অল ইউরোপ ফাইনালে মাঠে ম্যাচের ২৯ মিনিতে লিড নেয় স্পেন। ওলগা কারামোনা গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। ম্যাচের প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণে স্পেনের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে ইংল্যান্ডের মেয়েরা। তবে গোল করতে ব্যর্থ হয় তারা। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।
বিরতি থেকে ফিরেও স্পেনের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। তবে স্পেনের রক্ষণ দেয়ালের দৃঢ়তায় হতাশ হয় তারা। অবশ্য চেষ্টার কমতি ছিল না তাদের। অতিরিক্ত ১৫ মিনিট পেলেও আর জালের দেখা পায়নি ইংল্যন্ডের খেলোয়ড়রা। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয়ের উৎসবে মাতে স্পেনের মেয়েরা।
এর আগে কখনো শেষ ষোলোর বাঁধা পেরুতে না পারা দলটি এবারের আসরে একের পর এক রোমাঞ্চ ছড়িয়ে পৌঁছায় ফাইনালে। ফাইনালের মঞ্চও করল রঙিন।