চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রতিবেশির চলাচলের জায়গা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণে বাধা দেওয়ায় মধ্যবয়সী এক নারীসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে শাহ আলম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় মিরসরাই পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড সংলগ্ন শাহ আলম মঞ্জিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার ঘটনায় আহতরা হলেন- রহিমা বেগম (৫৫), গিভনি (১৯) ও এক পথচারী। আহতদের পক্ষ থেকে মিরসরাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের বিবরণ ও স্থানীদের বক্তব্যে জানা যায়, চলাচলের পথ দখল করে জোরপূর্বক বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন শাহ আলম নামের স্থানীয় এক প্রভাবশালী। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালে ভুক্তভোগীরা পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সরণাপন্ন হন। এতে উপজেলা প্রশাসন শাহ আলমের ভবন নির্মাণের অনুমদন বাতিল করে। মিরসরাই পৌরসভা নির্মাণ কাজে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ও থানা প্রশাসন জানমালের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় উভয়পক্ষকে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেওয়ার নোটিশ জারি করে আদালতকে অবহিত করে। কিন্তু সকল প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে শাহ আলম ও তার পরিবারের সদস্যরা গত শনিবার রাতে দখলকৃত ভূমিতে একটি গেইট নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের যুবক গিভনে সেই দৃশ্য মুঠো ফোনে ধারন করতে গেলে শাহ আলমের ৩ ছেলে ২ মেয়ে, ২ ছেলের স্ত্রী ও শাহ আলমের স্ত্রীসহ কর্মরত অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জন মিলে ধারালো অস্ত্র, রড় ও লাঠি সোটা নিয়ে গণপিটুনি শুরু করে। গিভনের মা রহিমা বেগম সন্তানতে উদ্ধার করতে গেলে তার ওপরও হামলা করা হয়। এ সময় স্থানীয়রা জড়ো হয়ে আহত গিভনে ও তার মা রহিমা বেগমকে উদ্ধার করে হসপাতালে প্রেরণের চেষ্টা করলে তাদের উপরও হামলা করে শাহ আলমের পরিবার। এতে স্থানীয় এক যুবকও আহত হন।
অভিযুক্ত শাহ আলম হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে দৈনিক দেশ বর্তমানকে বলেন, আমি ওই সময় বাজারে ছিলাম। তাই কি হয়েছে বিস্তারিত জানি না।
মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন বলেন, হামলায় ঘটনায় আহতদের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।