পারমানবিক যুগে বাংলাদেশ

মেট্রোরেলে ও এলভিটেডে এক্সপ্রসেওয়ে যুগরে পর এবার পারমানবকি শক্তি যুগে প্রবশে করলো বাংলাদশে। পারমাণবকি বদ্যিুৎ কন্দ্রেরে ইউরনেয়িাম হস্তান্তররে মধ্য দয়িে নউিক্লয়িার ক্লাবরে ৩৩তম সদস্য দশে হয়ছেে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবির রহমানরে ‘সোনার বাংলা’।
ঐতহিাসকি এই মুর্হূতে র্ভাচুয়ালি যুক্ত হয়ছেলিনে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা এবং রাশয়িার প্রসেডিন্টে ভ্লাদমিরি পুতনি। এসময় পারমাণবকি অস্ত্র নষিদ্ধিকরণ পদক্ষপে বাস্তবায়নরে প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা বলনে, পারমাণবকি শক্তি আমরা শান্তরিক্ষায় ব্যবহার করব। বাংলাদশেে আমরা পরমাণবকি শক্তি নয়িন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করছে।ি একটি স্বাধীন পরমাণু শক্তি নয়িন্ত্রণ র্কতৃপক্ষও প্রতষ্ঠিা করছে।ি প্রধানমন্ত্রী রাশয়িার প্রসেডিন্টেকে উদ্দশ্যে করে বলনে, ২০১৩ সালে প্রকল্পটি আনুষ্ঠানকিভাবে উদ্বোধন করছে।ি আপনার সহযোগতিায় র্সবাধুনকি প্রযুক্তরি সমন্বয়ে এই বদ্যিুৎ কন্দ্রে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৗেঁছছে।ে গতকাল বৃহস্পতবিার রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎ কন্দ্রেরে ইউরনেয়িাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে র্ভাচুয়ালি যুক্ত হয়ে তনিি এসব কথা বলনে। অনুষ্ঠানে রাশয়িার প্রসেডিন্টে ভ্লাদমিরি পুতনিও র্ভাচুয়ালি যুক্ত হন এবং বক্তব্য রাখনে।
রাশয়িার প্রসেডিন্টে ভ্লাদমিরি পুতনি বলনে, পারমাণবকি বদ্যিুৎ কন্দ্রে নর্মিাণরে গুরুত্বর্পূণ ধাপে উত্তরণ উপলক্ষ্যে আমি সবাইকে অভনিন্দন জানাচ্ছ।ি এ প্রকল্পে আমাদরে দুই দশেরে র্স্বাথ জড়তি এবং এটি পারষ্পরকি সহযোগতিার ক্ষত্রেকে আরও গভীর করছে।ে রুশ প্রসেডিন্টে বলনে, বাংলাদশে আমাদরে পরীক্ষতি বন্ধু। আমাদরে সর্ম্পক সমতা, পরস্পররে জন্য শ্রদ্ধা ও পরষ্পররে র্স্বাথ মনেে নয়োর ভত্তিতিে তরৈি হয়ছে।ে মুক্তযিুদ্ধে বাংলাদশেকে সহায়তার মাধ্যমে দুই দশেরে সর্ম্পক গড়ে উঠছে।ে এরপর থকেে বাংলাদশেরে র্অথনতৈকি উন্নয়নে রাশয়িা কাজ করছ।ে বড় শল্পি ও বদ্যিুৎ কন্দ্রে নর্মিাণে রাশয়িা সহায়তা করছে।ে গত বছর কূটনতৈকি সর্ম্পকরে সুর্বণ জয়ন্তী উদযাপন করছেে দুই দশে।
তনিি বলনে, ২০১৩ সালে রোসাটম বদ্যিুৎ কন্দ্রে নর্মিাণে কাজ শুরু কর।ে গবষেণার কাজ শষে হওযার পর ২০১৭ সালে চুল্লরি প্রথম ঢালাইয়রে কাজ শুরু হয়। দুই ইউনটি বশিষ্টি ২৪০০ মগোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই কন্দ্রেটরি প্রথম ইউনটিরে উৎপাদন ২৪ সালে এবং দ্বতিীয় ইউনটিরে উৎপাদন ২০২৬ সালে শুরু করার পরকিল্পনা রয়ছে।ে র্পূণমাত্রায় উৎপাদনে যাওয়ার পর বদ্যিুৎ কন্দ্রেটি বাংলাদশেরে বদ্যিুৎ চাহদিার ১০ শতাংশ পূরণে সক্ষম হব।ে বদ্যিুৎ কন্দ্রেটি র্কাবন নর্গিমন করবে না, যা সামগ্রকি র্অথে একটি ভালো দকি।
এর আগে প্রকল্পরে পরচিতিি তুলে ধরনে পরমাণু বজ্ঞিানী ও প্রকল্প পরচিালক ড. মো. শৌকত আকবর। এ সময় পারমাণবকি জ্বালানি উৎপাদন ও রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎ কন্দ্রেে প্রথম ব্যাচরে হস্তান্তর সর্ম্পকতি ভডিওি প্রর্দশন করা হয়। রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎ কন্দ্রেে গ্রাজুয়শেন সরেমিনরি আয়োজন করছেে বজ্ঞিান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
আনুষ্ঠানকি বক্তৃতা র্পবে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখনে বজ্ঞিান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়রে সচবি মো. আলী হোসনে। এরপর র্ভাচুয়ালি সংযুক্ত থকেে বক্তৃতা রাখনে আর্ন্তজাতকি আনবকি শক্তি কমশিনরে মহাপরচিালক রাফায়লে মারয়িানো গ্রস।ি এর আগে গত ২৮ সপ্টেম্বের বাংলাদশেে এসে পৗেঁছায় রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎ প্রকল্পরে জ্বালানরি প্রথম চালান। ২৯ সপ্টেম্বের বশিষে নরিাপত্তা ব্যবস্থায় জ্বালানি নওেয়া হয় প্রকল্প এলাকায়। তবে জ্বালানি এলওে কন্দ্রেটি পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাবে আগামী বছররে সপ্টেম্বের।ে জনগণরে কাছে বদ্যিুৎ সুবধিা পৗেঁছাবে ২০২৫ সালরে শুরুত।ে
দশেরে সবচয়েে ব্যয়বহুল এই প্রকল্পরে অন্যতম সুবধিাভোগী হবে উত্তরাঞ্চল। র্সাবকিভাবে দশেরে প্রথম পারমাণবকি কন্দ্রেটি মোট দশেজ উৎপাদনে (জডিপি)ি ২ শতাংশ অবদান রাখবে বলে আশা করছে সরকার। রূপপুর কন্দ্রেে ১২শ’ মোগাওয়াটরে দুটি ইউনটি রয়ছে।ে প্রথম ইউনটিরে ৯০ ভাগ কাজ শষে হয়ছে।ে দ্বতিীয় ইউনটিরেও কাজরে ৭০ ভাগ শষে হয়ছে।ে
এদকি,ে দশেে এসে পৗেঁছছেে রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রেরে প্রথম ইউনটিরে জ্বালানি ইউরনেয়িামরে দ্বতিীয় চালান। বৃহস্পতবিার বলো ১১টায় হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতকি বমিানবন্দরে ইউরনেয়িামরে দ্বতিীয় চালান এসে পৗেঁছায়। বষিয়টি নশ্চিতি করছেনে রূপপুর প্রকল্পরে পরচিালক ও পরমাণু বজ্ঞিানী ড. মো. শৌকত আকবর। তনিি জানান, র্পযায়ক্রমে আরও পাঁচটি চালান দশেে আসব।ে পারমাণবকি বদ্যিুৎ কন্দ্রেরে জ্বালানি ইউরনেয়িামরে প্রথম চালান ঢাকায় পৗেঁছায় ২৮ সপ্টেম্বের। এরপর ২৯ সপ্টেম্বের কঠোর নরিাপত্তার মধ্য দয়িে রূপপুরে নওেয়া হয়। রাশয়িার একটি কারখানা থকেে একটি বশিষে বমিানে করে ঢাকার শাহজালাল আর্ন্তজাতকি বমিানবন্দরে পারমাণবকি জ্বালানরি এই চালান আনা হয়। রাশয়িার নভোসবিরিস্ক কমেক্যিাল কনসনেট্রটেস প্ল্যান্টে (এনসসিপি)ি এই জ্বালানি উৎপাদতি হয়। রূপপুররে জ্বালানি সরবরাহ এবং র্বজ্য ব্যবস্থাপনার চুক্তবিদ্ধ রয়ছেে রোসাটম।
নরিাপত্তা ঝুঁক:ি বদ্যিুৎ কন্দ্রেটি নর্মিাণরে ধাপে ধাপে আনবকি শক্তি সংস্থার গাইডলাইন মনেে অনুমোদন নতিে হয়ছে।ে মোট ৮ টি স্তরে একটি থকেে পরর্বতী অন্য স্তরে যতেে আইএইএ- এর অনুমোদন নতিে হয়ছে।ে র্অথাৎ পরীক্ষায় পাস করে পরর্বতী ধাপে প্রবশে করতে হয়ছেে বাংলাদশেক।ে রূপপুরে আর্ন্তজাতকি অনকেগুলো সংস্থা ও প্রতষ্ঠিান নবিড়ি র্পযবক্ষেণ করছে।ে এখানে ঘাটতরি কোনো সুযোগ নইে। রডেয়িশেন নয়িে উদ্বগ্নি হওয়ার কোন কারণ নইে। রড়েয়িশেনরে মাত্রা মানুষরে সহন ক্ষমতার মধ্যে থাকব।ে রূপপুরকে কন্দ্রে করে ২৩টি রডেয়িশেন স্টশেন চালু করা হব,ে সখোনে রডেয়িশেনরে মাত্রা প্রর্দশতি হব।ে সাধারণ যে কউে দখেতে পারবনে। এসব স্টশেন ১৮ ক.িম.ি দূরে র্পযন্ত থাকব।ে প্রশক্ষিতি জনবল প্রস্তুত হয়ছেে এবং সুরক্ষা দয়োর সক্ষমতা র্অজন হয়ছেে বলইে ইউরনেয়িাম আমদানরি অনুমোদন মলিছে।ে কমশিনংিয়রে প্রথম দনি থকেে দশেরে প্রশক্ষিতি জনবল যুক্ত থাকব।ে দ্বতিীয় ইউনটিরে বাণজ্যিকি উৎপাদনরে দুই বছর পর কস্তিি পরশিোধ শুরু হব।ে এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। ব্যয়রে ৯০ শতাংশ র্অথ ঋণ দচ্ছিে রাশয়িা। চুক্তি অনুযায়ী এই র্অথ ২৮ বছররে মধ্যে পরশিোধ করতে হব।ে
রূপপুরইে হবে আরও দুটি ইউনটি: ২০৪১ সালরে মধ্যে মোট বদ্যিুতরে ৪০ শতাংশ ক্লনি এর্নাজি থকেে বদ্যিুৎ পাওয়ার যে পরকিল্পনা সরকাররে রয়ছে,ে সইে লক্ষ্যপূরণরে অংশ হসিবেে রূপপুরে আরো দুই ইউনটিরে পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে করার কথা রয়ছে।ে
পারমাণবকি প্রকল্পরে ইতকিথা: ১৯৬১ সালে দশেে প্রথম ২০০ মগোওয়াট পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে নর্মিাণরে উদ্যোগ নয়ে সইে সময়রে পাকস্তিান সরকার। ১৯৬৮ সালে পাবনা জলোর ঈশ্বরদীর রূপপুরে ২৬০ একর এবং আবাসকি এলাকার জন্য ৩২ একর জমি অধগ্রিহণ করা হয়। বদ্যৈুতকি সাব-স্টশেন ও কছিু আবাসকি ইউনটিরে নর্মিাণকাজ আংশকি সম্পন্ন হয়। পরে তৎকালীন পাকস্তিান সরকার বাতলি করে দয়ে। বাংলাদশে স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ ননে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান। কন্তিু তা বশেি দূর এগুতে পারনে।ি
১৯৮৬ সালে জাতীয় র্অথনতৈকি পরষিদরে নর্বিাহী কমটিি (একনকে) ১২৫ মগোওয়াটরে পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে নর্মিাণ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন দয়ে। এই প্রকল্পটওি বাস্তবায়তি হয়ন।ি ১৯৮৭-১৯৮৮ সালে র্জামানি ও সুইজারল্যান্ডরে দুটি কোম্পানি দ্বতিীয়বার ফজিবিলিটিি স্টাডি কর।ে এ স্টাডতিে ৩০০-৫০০ মগোওয়াট ক্ষমতার পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে স্থাপনরে সুপারশি করা হয়। ১৯৯৭-২০০০ সালে বাংলাদশে পরমাণু শক্তি কমশিনরে তৎকালীন চয়োরম্যান ড. এম এ ওয়াজদে ময়িার উদ্যোগে ৬০০ মগোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নরে পদক্ষপে নয়ো হয়।
২০০৯ সালরে ১৩ মে বাংলাদশে পরমাণু শক্তি কমশিন এবং রাশয়িান ফডোরশেনরে স্টটে অ্যাটমকি এর্নাজি করপোরশেনরে (রোসাটোম) মধ্যে ‘পারমাণবকি শক্তরি শান্তপর্িূণ ব্যবহার’ বষিয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।
২০১০ সালরে ২১ মে বাংলাদশে এবং রাশয়িা সরকাররে মধ্যে ‘পারমাণবকি শক্তরি শান্তপর্িূণ ব্যবহার’ বষিয়ক ফ্রমেওর্য়াক এগ্রমিন্টে স্বাক্ষরতি হয়। ২০১০ সালরে ১০ নভম্বের জাতীয় সংসদে রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে নর্মিাণরে জন্য সদ্ধিান্ত প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। ২০১১ সালরে ২ নভম্বের বাংলাদশে এবং রাশয়িা সরকাররে মধ্যে রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে স্থাপন সংক্রান্ত আন্তরাষ্ট্রীয় সহযোগতিা চুক্তি (আইজএি) স্বাক্ষরতি হয়। ২০১২ সালরে ১৯ জুন বাংলাদশে অ্যাটমকি এর্নাজি রগেুলটেরি অ্যাক্ট-২০১২ পাস করা হয়। ২০১৩ সালরে ১৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিার রাশয়িা সফরকালে রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রেরে প্রস্তুতমিূলক কাজ সম্পাদনরে জন্য স্টটে এক্সর্পোট ক্রডেটি চুক্তি স্বাক্ষরতি হয়। ২০১৩ সালরে ২ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে নর্মিাণরে প্রথম র্পযায় কাজরে আনুষ্ঠানকি উদ্বোধন করনে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা।
২০১৫ সালরে ১৮ আগস্ট পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে স্থাপন ও পরচিালনার জন্য নউিক্লয়িার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদশে লমিটিডে (এনপসিবিএিল) গঠন করা হয়। সে বছররে ২৫ ডসিম্বের রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রে নর্মিাণরে মূল র্পযায়রে র্কাযাবলি সম্পাদনরে জন্য আরকেটি চুক্তি স্বাক্ষরতি হয়। ২০১৬ সালরে ২১ জুন রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎকন্দ্রেরে সাইট লাইসন্সে দয়ে পরমাণু শক্তি নয়িন্ত্রণ র্কতৃপক্ষ। ওই বছররে ২৬ জুলাই রূপপুর পারমাণবকি বদ্যিুৎ প্রকল্পরে মূল র্পযায়রে র্কাযাবলি সম্পাদনরে জন্য বাংলাদশে সরকার এবং রাশান ফডোরশেন সরকাররে মধ্যে স্টটে ক্রডেটি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। প্লট ফুয়লে রাশয়িায় ফরিয়িে নতিে বাংলাদশে ও রাশান ফডোরশেনরে সঙ্গে ২০১৭ সালরে ৩০ আগস্ট এক সহযোগতিা চুক্তি স্বাক্ষরতি হয়। ২০১৭ সালরে ৪ নভম্বের বদ্যিুৎকন্দ্রেরে ডজিাইন ও কন্সট্রাকশন লাইসন্সে দয়ে পরমাণু শক্তি নয়িন্ত্রণ র্কতৃপক্ষ। ২০১৭ সালরে ৩০ নভম্বের প্রথম ইউনটিরে প্রথম কংক্রটি ঢালাই প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করনে। ২০২১ সালরে ১০ অক্টোবর এবং ২০২২ সালরে ১৮ অক্টোবর বদ্যিুৎকন্দ্রেরে প্রথম ও দ্বতিীয় ইউনটিরে পারমাণবকি চুল্লপিাত্র বা রঅ্যািক্টর প্রসোর ভসেলে স্থাপনরে কাজ উদ্বোধন করনে প্রধানমন্ত্রী।