একসময় দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ হওয়ার কথা শুনলেই আঁতকে উঠতেন কিংবা পালানোর সুযোগ খুঁজতেন দুর্নীতিবাজরা। বর্তমানে তা যেন ভাটা পড়েছে। তেমনি প্রমাণসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলার আসামি হয়েও দিব্যি অফিস করছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রামে দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
নীতিমালা ভঙ্গ করে একজনের দুই জায়গায় চাকরি, এক পরিবারে দুই জনের চাকরি, বয়স্ক লোক চাকরি, এক স্কুল থেকে একাধিক লোকের জালসনদ বানিয়ে চাকরি ও স্বজনপ্রীতিসহ নানা অনিয়ম করে খালাসী পদে ১৯ জনকে নিয়োগ দিয়ে ১ কোটি ২ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন দুনীর্তি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকো) চট্টগ্রাম-২ এর তৎকালিন উপসহকারী পরিচালক।
মামলা হওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে প্রায় শতাধিক খালাসী পদে আবেদনকারীর সনদ জাল হিসাবে পাওয়া যায়। দুদকের খাতায় আসামিরা পলাতক থাকলেও তাদের মধ্যে নিয়মিত অফিস করছেন মহাব্যবস্থাপক (প্রকল্প), সহকারী মহা ব্যবস্থাপক, টিএসও, প্রধান সহকারীসহ ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছেন উপ-পরিচালক।
এ বিষয়ে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেই দুদকের, আর আসামি হওয়ার পরও শাস্তির কোন ব্যবস্থা নেয়নি বাংলাদেশ রেলওয়ে। দুদক আইনে ছয় মাসের (১৮০ দিনের) মধ্যে তদন্ত শেষ করার বিধান থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ের ২ বছর পার হলেও এখনও শেষ হয়নি তদন্ত। এদিকে দুদকের ঢিমেতালে তদন্তের সময়ক্ষেপন আপোষ ফর্মুলা নিয়ে চলছে বলে মনে করছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রাম আদালত ভবনে অবস্থিত দুদকের জিআরও শাখায় সরেজমিনে মামলার নথি দেখতে গেলে দেখা যায়, এই মামলার ১২ আসামিই পলাতক। তদন্ত কাজ শেষ না হওয়ায় এখনও চার্জশিট দেওয়া হয়নি বলে জানান, উপস্থিত দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিদর্শকরা।
বেশ কয়েকদিন ধরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই দুর্নীতি মামলার বেশিরভাগ আসামিই বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রাম অফিসে উপস্থিত থাকেন। বিষয়টি জানতে চাইলে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম’র পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদুল হক (মাহমুদ) অফিসে যোগাযোগ করার পরার্মশ দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রামে দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা দৈনিক দেশ বর্তমানকে জানান, নিয়োগ কেলেঙ্কারীতে দুদকের মামলা হওয়ায় সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মন্ত্রীত্ব হারালেন এবং সাবেক জিএম ইউসুপ আলী মৃধা চাকরি হারিয়েছেন। আর সেটা ছিল অভিযোগ যেটার প্রমাণ এখনও হয়নি। অথচ একইরকম মামলায় (প্রমাণিত) আসামিরা দিব্যি অফিস করে যাচ্ছেন। যেন এক দেশ দুই নিয়ম।
কোটি টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই তারা চাকরিতে বহাল। নয়তো এত বড় মামলায় আসামি হওয়ার পরও তারা এখনও কিভাবে চাকরি করে যাচ্ছেন। সরকার ও দুদক সজাগ না হলে তাদের বিচার হবে না। তিনি আরো বলেন, প্রধান সহকারী সিপিও (পূর্ব) খোন্দকার সাইফুল ইসলাম (মামুন) তার ভগ্নিপতি আবুল বশর খানকে আবেদন ও পরীক্ষা ছাড়া নিয়োগে সহায়তা করেছেন। যেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্ডেন হাইস্কুলের নামে বানানো সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরিতে নিয়োগ দেন। অথচ এলাকায় এই নামের কোন স্কুল নেই। এছাড়া খোন্দকার সাইফুল ইসলাম (মামুন) এর সার্টিফিকেটটিও বানানো বলেও দাবি করেন তিনি।
রেলওয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, এই সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের জন্য দেশটা মগের মুল্লক হয়ে যাচ্ছে। শীঘ্রই দুর্নীতিবাজদের লাগাম টেনে না ধরলে দুর্নীতি আরো বাড়বে। এটা লজ্জার বিষয় বলেও দাবি করেন তিনি।
মামলার এজাহারে লেখা আছে, ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে, পূর্বাঞ্চল-চট্টগ্রাম কর্তৃক ৮৬৩ জন খালাসী নিয়োগকালে নিয়োগ কমিটির পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুই সদস্যের ইনডিভিজুয়াল মার্কশিট না থাকা, কম্বাইন্ড মার্কশিটে চার জনের নম্বর দেখানো হলেও এক জনের মূল্যায়ন মার্ক অসৎ উদ্দেশ্য সৃজন (বানিয়ে) করে প্রতারণা করে ১৯ জনকে নিয়োগ প্রদান, দুই জন নিয়োগ প্রার্থীকে চার জেলা হতে নিয়োগ, বয়স্ক ও জাল সনদধারী লোকদের জাল সনদ তৈরী করে চাকরি প্রদান করার অসৎ উদ্দেশ্য নিজেরা লাভবান হয়। এবং অন্যায় লাভে লাভবান করে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার পূর্বক একে অপরের সহযোগিতায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সম্পৃক্ত অপরাধ ঘুষ ও দুর্নীতি এর মাধ্যমে অর্জিত ১ কোটি ২ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাচার/ঘুষ গ্রহণ করে অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার ও বিনিয়োগ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে, পূর্বাঞ্চল-চট্টগ্রামের প্রাক্তন মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) বর্তমানে অবসর প্রাপ্ত সৈয়দ ফারুক আহমেদ, খালাসী নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক ও প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (পূর্ব) বর্তমানে মহাব্যবস্থাপক (প্রকল্প) মো. মিজানুর রহমান, খালাসী নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও প্রাক্তন সিনিয়র ওয়েলফেয়ার অফিসার বর্তমানে সহকারী মহা ব্যবস্থাপক (পূর্ব) জোবেদা আক্তার, খালাসী নিয়োগ কমিটির সদস্য ও প্রাক্তন ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ার বর্তমানে টিএসও (পূর্ব) মো. রফিকুল ইসলাম, এমএলএসএস হারাধান দত্ত, শাহজাহানপুর রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া সুলতানা, খালাসী মো. আবুল বশর খান, প্রধান সহকারী সিপিও (পূর্ব) খোন্দকার সাইফুল ইসলাম (মামুন), টিকেট প্রিন্টিং প্রেস কলোনি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সচিব মৃণাল কান্তি দাশ, শাহজাহানপুর রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আক্তার হোসেন, ফাতেমা এন্টার প্রাইজের প্রোপাইটার আমিরুজ্জামান আশীষ ও দালাল মোসা. পারভীন আকতার। ’
যেখানে রেল কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহমেদ, মো. মিজানুর রহমান, জোবেদা আক্তার, মো. রফিকুল ইসলাম (চারজনই) ক্ষমতার অপব্যবহার একে অপরের যোগসাজশে নিয়োগ কমিটির সদস্য খলিলুর রহমানের দেওয়া পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন নম্বর পরিবর্তন করে বয়স্ক ও জাল সনদধারীদের চাকুরি প্রদান করার কথা উল্লেখ আছে।
অন্যদিকে এলএমএসএস (ড্রাইভার) হারাধন দত্ত প্রভাব খাটিয়ে, বয়স লুকিয়ে, জাল সনদ ব্যবহার করে তার আত্মীয় শ্রী সুকুমার দে কে চাকুরি পেতে সহায়তা করেন। সুরাইয়া সুলতানা শাহজাহানপুর রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা থাকাকালিন সময়ে বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা ও ভর্তি রেজিস্ট্রারে নাম না থাকা ১২ (বার) জনকে অস্টম শ্রেণী পাশের ভুয়া সনদ দিয়ে চাকুরি পেতে সহায়তা করেন। মো. আবুল বশর খান বয়স লুকিয়ে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান আদর্শ কিন্ডারগার্ডেন হাইস্কুলের সার্টিফিকেট দিয়ে খালাসী পদে চাকুরি নেন।
খোন্দকার সাইফুল ইসলাম(মামুন), বড় বোনের জামাই মো. আবুল বশর খানকে বয়স লুকিয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকুরিতে পেতে সহায়তা করেন। মৃণাল কান্তি দাশ, টিকেট প্রিন্টিং প্রেস কলোনি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক থাকাকালিন সময়ে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান আদর্শ কিন্ডারগার্ডেন হাইস্কুলের সার্টিফিকেট বানিয়ে দিয়ে মো. আবুল বশর খানকে চাকুরি পেতে সহায়তা করেন।
মো. আক্তার হোসেন শাহজাহানপুর রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অফিস সহকারী পদে থেকে প্রধান শিক্ষিকার সহায়তায় ১২ জনকে অস্টম শ্রেণী পাশের ভুয়া সনদ দিয়ে চাকুরি পেতে সহায়তা করেন।
আমিরুজ্জামান আশীষ তার মের্সাস ফাতেমা এন্টার প্রাইজ ব্যবহার করে খালাসী পদে ১৩ জন প্রার্থী হতে এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন। যেখান থেকে নিজেও সুবিধা নেন এবং রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বন্টন করেন।
মোসা. পারভীন আকতার দালালী করে ঘুষ বাবদ ঢাকা খালাসী পদে ৯ জন ও তারেক হোসেন নামে ঝালকাটির এক প্রার্থী থেকে ২ লাখসহ মোট ৪১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা নেন। যেখান থেকে নিজেও সুবিধা নেন এবং নিয়োগ কমিটিতে থাকা রেল কর্মকর্তাদের বন্টন করেন।
উল্লেখ্য, উপরোক্ত আসামিদের মধ্যে সৈয়দ ফারুক আহমেদ ও সুরাইয়া সুলতানা অবসরে গেছেন। এছাড়া নিয়োগ জালিয়াতিকাণ্ডে সম্পৃক্ত দালাল আমিরুজ্জামান আশিষ ও পারভীন আকতার ছাড়া বাকীরা রেলওয়েতে অফিস করছেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী দৈনিক দেশ বর্তমানকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন/অভিযোগ পত্র দেওয়ার মতো যথেষ্ট উপাদান ইতিমধ্যে উদঘাটিত হয়েছে, ওনারা পেয়েছেন, প্রকাশ হয়েছে, প্রমাণ আছে। তারপরও না দেওয়াটা রহস্যজনক। এটা পরিষ্কার তাদের সাথে তদন্তকারী কর্মকর্তা কিংবা আরো কেউ কেউ সংশ্লিষ্ট ‘কম্প্রোমাইজ’ করেছেন এবং আপোষ ফর্মুলা নিয়ে চলছে বলেই এই মামলার আসামিরা এখনো উর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারি হিসাবে বহাল তবিয়তে আছেন। এত বড় বড় দুনীর্তি করার পরও শেষে দেখা যাবে এই রিপোর্ট যায় হোক দেশে একটা পবর্ত মুষিক প্রসব করবে, ওনারা এখন প্রমোশন, যা খাওয়ার তা খেয়ে অবসরে যাবে বলেও জানান তিনি।
জানতে চাইলে দুদকের উপ-পরিচালক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম শিমুল দেশ বর্তমানকে জানান, মামলাটি তদন্তাধীন আছে এবং এটা নিয়ে কাজ করছি। নির্দিষ্ট সময়ের দু’বছর পার হলেও তদন্ত শেষ না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার হাতে বর্তমানে ৩০টিরও বেশি মামলা তদন্তাধীন। আসামিদের খুঁজছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং এ বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। এ সময় তিনি আরো বেশি কিছু জানতে চাইলে প্রথমে অফিসে এসে জানতে এবং পরে দুদকের পাবলিক রিলেশন অফিসারের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন দুদকের মামলায় অভিযুক্ত ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়মিত অফিস করার সত্যতা নিশ্চিত করে দৈনিক দেশ বর্তমানকে বলেন, দুদকের মামলার খোঁজখবর আমার কাছে নেই। আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিষয়টি অনেক আগের তাই এ ঘটনায় রেলের নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদন কমিটির রিপোর্ট কি ছিল তা এই মুহূর্তে জানা নেই। এবং কত সদস্যের তদন্ত কমিটি ছিল তাও জানা নেই। তিনি আরো বলেন, দুদক মামলার কারণে ধরে নিলে অন্যকথা, তাছাড়া যতদিন চাকরি আছে ততদিন তারাতো (আসামিরা) চাকরি করবে বলেও জানান তিনি।
বিষয়টি জানতে জানতে, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. কামরুল আহসানকে রোববার (২০ আগস্ট) বিকালে বার বার মুঠোফোনে কল করলেও কোন সংযোগ পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত: ২০১৮ সালে ৮৬৩ জনকে খালাসি পদে নিয়োগ দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে অধিকাংশ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, রেলওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদেরকে মোটা অংকের অর্থ ও তদবিরের মাধ্যমে। এতে মানা হয়নি পোষ্যকোটা। হদিস পাওয়া যায়নি নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ডপত্রেরও। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা) চট্টগ্রাম-২ তৎকালিন উপসহকারী পরিচালক আলোচিত মো. শরীফ উদ্দিন নিয়োগে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিং এর অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
ঐ প্রতিবেদনে রেলের নিয়োগ কেলেঙ্কারিত জড়িত ১৩ জনের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের সুপারিশ করা হয়। শরীফ উদ্দিন চাকুরিচ্যুত হওয়ার পর থেকে মামলাটির তদন্ত করছেন বর্তমান উপ-পরিচালক আতিকুল ইসলাম শিমুল।