নাইজেরিয়ায় নাটকীয় অভ্যুত্থানের পর নিজেকে নতুন নেতা ঘোষণা করেছেন জেনারেল আবদুরাহমানে তচিয়ানি। ওমর তচিয়ানি নামেও পরিচিত এই জেনারেলের নেতৃত্বে বুধবার (২৯ জুলাই) দেশটির প্রেসিডেন্টকে অবরুদ্ধ করে ফেলে তার নিজের নিরাপত্তা কর্মীরাই।
ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুম সুস্থ্য আছেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি এখন নিজের সেনাদের হাতেই বন্দি। এই অঞ্চলে ইসলামপন্থি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পশ্চিমা দেশগুলো বাজুমকে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র বলে বিবেচনা করতো।
দীর্ঘদিন নাইজার শাসন করেছে ফ্রান্স। সাবেক এই ঔপনিবেশিক শক্তিটি অভ্যুত্থানের কোনো নেতাকে স্বীকৃতি না দেওয়ার কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছে। বলেছে, তারা কেবল বাজুমকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মেনে নেবে।
ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা দৃঢ়তম ভাষায় সাংবিধানিক শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বেসামরিক ক্ষমতার অবিলম্বে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্পষ্ট দাবিকে পুনর্ব্যক্ত করছি।
আফ্রিকান ইউনিয়ন, পশ্চিম আফ্রিকান আঞ্চলিক ব্লক (ইকোওয়াস), ইইউ এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও এই অভ্যুত্থানের নিন্দা করেছে। তবে রাশিয়ার ওয়াগনার ভাড়াটে গোষ্ঠীর নেতা ইয়েভজেনি প্রিগোজিন এই অভ্যুত্থানের প্রশংসা করেছেন। তিনি এটিকে একটি বিজয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তাকে ওয়াগনার-অধিভুক্ত টেলিগ্রাম চ্যানেলে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘নাইজারে যা ঘটেছে তা তাদের উপনিবেশকারীদের বিরুদ্ধে দেশটির জনগণের সংগ্রাম ছাড়া আর কিছুই নয়।’
বিবিসি অবশ্য টেলিগ্রামের মন্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
সূত্র:বিবিসি