নারায়ণগঞ্জে হরতাল সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ, বাস ভাঙচুর, গুলিবিদ্ধ ৩

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জে হরতালের সমর্থনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বামফ্রন্টের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৯ অক্টোবর) সকালে জেলার পৃথক দুই জায়গায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। এ সময় মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ গুলি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জে হরতালের সমর্থনে সকালে নগরীর কালিবাজারে জামায়াতে ইসলামী হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে মিছিলকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়ে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দিলে তারা দ্রুত সরে যায়।

অপরদিকে নগরীর বালুর মাঠে বিএনপি ও বামফ্রন্ট নেতা কর্মীরা হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে চাষাড়া বঙ্গবন্ধু সড়কের দিকে আসতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় বামফ্রন্ট ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া- পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

এ সময় বিএনপি ও বামফ্রন্টের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়ে মারলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছোড়ে। এতে বিএনপি ও বামফ্রন্টের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন গলিতে ঢুকে যায়। এ ঘটনায় পুলিশসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়। আটক করা হয় গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়কারী অঞ্জন দাসসহ দুইজনকে।

এছাড়াও বেলা পৌনে ১১টার দিকে রামকৃষ্ণ মিশনের পাশের গলি থেকে হরতালের সমর্থনে মহানগর বিএনপির একটি মিছিল বের হয়।মিছিল থেকে উৎসব পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব ১০-৬৬০৭) থামিয়ে যাত্রী নামিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং চলতে নিষেধ করা হয়। এ সময় বাসের চালক তর্ক করলে বাসে অগ্নিসংযোগ করে বিএনপি কর্মীরা।এতে বাসের ছয়টি সিট আগুনে ভস্মীভূত হয়।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু জানান, আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল শেষে আমরা চলে আসার পর অজ্ঞাতরা আগুন দেয়।