অনুপ্রবেশের মামলায় ভারতে কারাভোগের পর খালাস পেলেও এতদিন দেশে ফেরার সুযোগ পাচ্ছিলেন না বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। সব সমস্যা শেষে এবার পেয়েছেন ভ্রমণ অনুমোদন বা ট্রাভেল পাস। ফলে নিজ দেশে ফেরার ক্ষেত্রে যে জটিলতা ছিল তা কেটে গেছে এই বিএনপি নেতার।
সোমবার (১২ জুন) দিনগত রাত ১১টার দিকে ভারতের গৌহাটি বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এ ট্রাভেল পাস দেয়া হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার বলেন, ‘গতকাল সোমবার (১২ জুন) রাতে এ সংক্রান্ত কাগজ পেয়েছেন তিনি (সালাহউদ্দিন আহমেদ)। বর্তমানে ভারতের শিলংয়ে অবস্থান করছেন তিনি। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে তিনি কিছুদিনের মধ্যেই দেশে ফিরবেন।’
সালাহউদ্দিন আহমেদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় গত ৮ জুন থেকে। এদিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জনকূটনীতি) মোহাম্মদ রফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, সালাহউদ্দিন আহমেদকে দেশে ফিরতে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করছে।
২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরা থেকে নিখোঁজ হন সালাহউদ্দিন আহমেদ। নিখোঁজের ৬৩ দিন পর ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী গ্রেপ্তার দেখায় মেঘালয় থানা পুলিশ।
একই বছরের ২২ জুলাই ভারতের নিম্ন আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের দায়ে অভিযোগ গঠন করা হয়। কিন্তু ওই মামলায় তিনি বেকসুর খালাস পাওয়ার পর সরকার পক্ষ আপিল করে। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় তিনি শিলং জজ কোর্ট থেকে খালাস পান। এ কারণে তার দেশে আসায় কোনো বাধা নেই।
পাসপোর্ট না থাকায় সালাহউদ্দিন আহমেদ পরে দেশে ফিরতে ট্রাভেল পারমিটের জন্য গোহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনে আবেদন করেন।
এমএফ