বাংলাদেশ দলকে প্রায় সবসময়ই ভুগিয়েছে লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। তবে সেই দুশ্চিন্তা কিছুটা হলেও কমেছে। কেননা অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ছয় নম্বরে ব্যাট করছেন। ধারাবাহিক সফলতাও পাচ্ছেন। এখন প্রশ্ন হলো সাত নম্বরে কে ব্যাট করবেন, কিংবা করলেও ভালো ফিনিশার হতে পারবেন কিনা?
রোববার (১৪ মে) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর ৭ নম্বর পজিশন নিয়ে দুর্বলতার কথা অকপটেই স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে তামিম বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, ব্যাটিংয়ে আরো ভালো করতে পারি। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩য় ম্যাচের মতো পরিস্থিতিতে। প্রথম ২৫ ওভারে আমরাই বলতে গেলে দাপট দেখিয়েছি। ওভার প্রতি ছয়ের মতো করে রান তুলছিলাম। কিন্তু শেষটা ভালো করতে পারিনি। যে অবস্থায় ছিলাম, ৩০০ থেকে ৩১০ রান করা উচিত ছিল। এই একটা জায়গায় আমরা ভালো করতে পারি।’
আসন্ন বিশ্বকাপে নতুন কাউকে আর ফিনিশার হিসেবে দেখা যাবে না টাইগার শিবিরে। এজন্য অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ওপরই ভরসা রাখছেন তামিম।

টাইগার দলপতি বলেন, ‘এখনো (বিশ্বকাপের) এক দুটি জায়গা নিয়ে ভাবছি আমরা। আফিফ আছে, ইয়াসির আছে, রিয়াদ ভাই আছেন। যে সবচেয়ে মানানসই হবে, তাকে বিবেচনা করা হবে। অবশ্যই রিয়াদ ভাইয়ের অভিজ্ঞতা বড় ব্যাপার। আফিফের এমন কিছু আছে, যা খুব বেশি বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের মধ্যে নেই। ওর ব্যাটিং আমি উপভোগ করি। ইয়াসিরের ক্ষেত্রেও একই কথা। আমি এখনো কিছু ঠিক করে রাখিনি। এশিয়া কাপ এলে বুঝে নিতে পারবেন, বিশ্বকাপের দল কেমন হবে।’
চেমসফোর্ডে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছে রনি তালুকদারের। তবে অভিষেক সে রাঙাতে পারেননি। কেবল ১৪ বলে ৪ রান করেছেন। তবে রনিকে নিয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ তামিম, ‘বেশির ভাগ সময় আমি আর লিটনই ওপেন করি। তৃতীয় ওয়ানডেতে রনি ওপেন করেছে। যদিও রান পায়নি। একটা মানুষকে এক ম্যাচ সুযোগ দিয়ে বদলে ফেলাটা কতটা যুক্তিযুক্ত, আমি জানি না। সব আমার হাতেও নেই। এখানে আমারও সীমাবদ্ধতা আছে। (বিশ্বকাপ দল নিয়ে ভাবার) জায়গা এটা একটা। আর ৬-৭ নম্বরেও খেলোয়াড় দেখছি আমরা।’