আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগ অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চা করে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে নিয়মিত সম্মেলন করে। আওয়ামী লীগের সম্মেলনে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। আগামী নির্বাচনেও জনগণের পরামর্শ নিয়ে, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চায় আওয়ামী লীগ।
শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ২২তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা দেশের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্ত এ বার্তা দিতে চাই, আমরা জনগণের পাশে আছি, পাশে থাকব। আমরা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করব।
তিনি স্বীকার করেন, ‘বড় দলে ছোটখাটো কিছু সমস্যা থাকবেই। আওয়ামী লীগ গত ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায়। রুলিং পার্টিতে কিছু সমস্যা থাকে।’
গত দুই বারের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগকে কী দিয়েছেন জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আই অ্যাম নট এ পারফেক্ট লিডার। আমি মনে করি, মানুষ একেবারেই পারফেক্ট হওয়া খুবই দুঃসাধ্য। ভুল-ত্রুটি তো থাকবেই। সাফল্যও আছে, ভুল-ত্রুটিও আছে। তবে প্যান্ডামিকের জন্য একটা বছর, তারমধ্যেও আমাদের সহকর্মীরা অনেক সহযোগিতা করেছে, কাজ করেছে। সহযোগী সংগঠনগুলোও কাজ করেছে। আমরা ইনেকটিভ ছিলাম না।’
বিএনপির শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা ২৪ ডিসেম্বরের কর্মসূচি থেকে সরে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছে। এজন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানাই। বিএনপি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যর্থ হয়েছে, আগামী নির্বাচনেও তারা ব্যর্থ হবে। তরুণরা আওয়ামী লীগের স্মার্ট বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
এ সময় বিগত মেয়াদে সংবাদ প্রচারে সহযোগিতা করায় সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।