ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলই যেন দায়

বৃষ্টিতে খানাখন্দ ও উঁচু-নিচু টিলা

নিরবচ্ছিন্ন গাড়ি চলাচলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছে। কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দুই লেনের মহাসড়ককে চার লেনে উন্নতি করা হয়েছে। কিন্তু নিম্নমানের কাজ হওয়ায় বছর ঘুরতে না ঘুরতেই খানাখন্দ ও উঁচু-নিচু টিলায় ভরে গেছে সড়কের বিভিন্ন অংশ। এদিকে, খানাখন্দ জোড়াতালিতে চলছে স্থায়ীত্ব রক্ষার চেষ্টা। এরপরও ভাঙা-গড়ায় কুলকিনারা করতে পারছে না সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নিত হওয়ায় যাত্রীদের মাঝে নিরাপদ সড়কের আশা জাগায়। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে কাজ শেষে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যান চলাচলে উম্মুক্ত হয়। নির্দিষ্ট সময়ের অধিক সময় অতিক্রম করেও অসমাপ্ত কাজের মাঝেই যান চলাচলে উম্মক্ত হওয়ায় পুরোনো রূপে ফিরেছে মহাসড়ক। ক্রমাগত ভাঙনের সাথে বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। অর্থনীতির চাকা ঘুরানো গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটিতে দুরব পণ্য পরিবহনে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুক্ষীণ হতে হচ্ছে বলে জানান চালক-মালিকরা।

একাধিক চালক ও মালিকের সাথে কথা হলে তারা দৈনিক দেশ বর্তমানকে বলেন, ‘চারলেনে উন্নিত হলেও দুর্ঘটনা ও যানজট মুক্ত হতে পারেনি মহাসড়ক। সড়ক উন্নয়নের কিছুদিন না যেতেই দেখা দিয়েছে ছোটবড় গর্ত ও উচু-নিচু টিলা। এ পরিস্থিতিতে সড়কে চলতে গিয়ে গর্তে পড়ে স্ক্যাল ভেঙে দুর্ঘটনায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। যান চলাচল বন্ধ করে রাস্তার কাজ করার কিছুদিনের মধ্যে বৃষ্টির ফোঁটায় বিটুমিন খসে পড়ে পুরোনো রূপে পৌঁছে হাজার কোটি টাকার মহাসড়ক। জোড়াতালির রাস্তাকে চকচক করার শত চেষ্টার মাঝেও স্থায়ীত্ব রক্ষা হচ্ছে না।

এদিকে, বৃষ্টির ফোঁটায় ছিন্নভিন্ন সড়ক উন্নয়নে তোড়জোড় চললেও নিন্মমানের বিটুমিন ব্যবহারে স্থায়ীত্ব পাচ্ছে না সংস্কার কাজ। বৃষ্টির থৈ থৈ পানিতে ইট-বালিতে সংস্কার কাজের চেষ্টা কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরছে পুরোনো রূপে। এরপরও রাস্তার অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গুরুত্বপূর্র্ণ সড়কজুড়ে দূরাবস্থার পরও টেকসই স্থায়ীত্ব রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ নেই।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, ‘অধিক বৃষ্টির কারণে সড়কের নানা অংশে ভাঙন এবং খানাখন্দ তৈরি হয়। সংস্কার বরাদ্দ দিয়ে খানাখন্দ ভরাট এবং উঁচু-নিচু জায়গা সমান করা হচ্ছে।