যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হুমকি উপেক্ষা করে ইরানি কর্তৃপক্ষ বন্দি বিক্ষোভকারীদের দ্রুত বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ইঙ্গিত দিয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দ্যা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘ভয়াবহ ব্যবস্থা’ নেবে। তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লিখেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
ইরানের বিচার বিভাগীয় প্রধান গোলামহোসেন মোহসেনি-এজেই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলেন, ‘যদি আমাদের কিছু করতে হয়, তবে তা এখনই এবং দ্রুত করতে হবে। দেরি হয়ে গেলে এর প্রভাব থাকবে না।’
মৃত্যুদণ্ড ও মানবাধিকার পরিস্থিতি মানবাধিকার সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছে, যেকোনো সময় বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর শুরু হতে পারে।
বুধবার ২৬ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী এরফান সুলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তিনি এই বিক্ষোভের ঘটনায় প্রথম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি।
সুলতানির এক আত্মীয় সিএনএন-কে বলেন, ‘মানুষ ট্রাম্পের কথায় বিশ্বাস করে রাস্তায় নেমেছিল। দয়া করে এরফানকে রক্ষা করুন।
হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভষ্ট নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে গতো দুই সপ্তাহের বিক্ষােভে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫৭১ জন নিহত এবং ১৮ হাজারেরও বেশী মানুষ গ্রেফতার হয়েছেন।