জি কে শামীমসহ ৮ জনের মামলার রায় পেছালো

মানি লন্ডারিং

গুলশান থানার মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৭ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (২৫ জুন) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত মামলাটি অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ে জন্য দিন ধার্য ছিল। আসামিপক্ষের আইনজীবী অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেননি। এদিকে রায়ও প্রস্তুত হয়নি। এজন্য আদালত ১৭ জুলাই রায়ের তারিখ ঠিক করেন।

মামলার অপর আসামি হলেন, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মোরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন ও মো. আনিছুল ইসলাম। শুনানিকালে আসামিদের কারাগারে থেকে আদালত হাজির করা হয়।

গত ২১ ডিসেম্বর মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। এরপর চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি আসামিরা আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিকেতনের নিজ বাসা থেকে জিকে শামীমকে আটক করা হয়। এ সময় শামীমের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকার এফডিআর চেকসহ বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়। তার কাছ থেকে একটি অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার পর র‍্যাব-১ এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান ২১ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ তদন্ত শেষে, ২০২০ সালের ৪ আগস্ট আদালতে জিকে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর নামে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০২০ সালের ১০ নভেম্বর আসামিদের নামে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

প্রসঙ্গত, জি কে শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীকে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম। এরপর আজ (২৫ জুন) দ্বিতীয় কোনো মামলায় তাদের বিচার শেষ হতে যাচ্ছে।

এমএইচএফ