ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতি ও জিম্মিদের নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রস্তাবিত এ বিলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশসহ আরও ১০০ টির বেশি দেশ। জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের স্থায়ী উপ-পর্যবেক্ষক ও দূত মাজেদ বামইয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ১০০টিরও বেশি দেশ সমর্থন দিয়েছে। খবর আল জাজিরা। তিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সংস্থাটির ধারা-৯৯ এর ক্ষমতাবলে এই প্রস্তাব উত্থাপন এবং এ নিয়ে আলোচনা করতে নিরাপত্তা পরিষদকে বাধ্য করেন। বাংলাদেশ ছাড়াও যুদ্ধবিরতির পক্ষে অবস্থান নেওয়া অন্য দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান, আর্জেন্টিনা, আজারবাইজান, বাহরাইন, বেলারুশ, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, কম্বোডিয়া, চীন, মিসর, ফিনল্যান্ড, গাম্বিয়া, আইসল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, আয়ারল্যান্ড, জর্ডান, কুয়েত, কিরগিজস্তান, লেবানন, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মেক্সিকো, মরক্কো, নিউজিল্যান্ড, নাইজেরিয়া, নরওয়ে, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, রাশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ১০০ টি দেশ। গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধের শুরু থেকেই গাজায় নির্বিচার বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। তাদের হামলায় গাজায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এ বিপর্যয় যেন আরও বেশি দূর না যায়; সেজন্য গাজায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছিল। এদিকে, গাজা ইস্যুতে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদকে অকার্যকর করে রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচনা করেছে রাশিয়া। এর ফলে গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার দূত দিমিত্রি পোলিয়ানস্কি।